ক্রয় বিক্রয় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে উদারতা দেখানো

ক্রয় বিক্রয় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে উদারতা দেখানো

ক্রয় বিক্রয় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে উদারতা দেখানো  >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ২৪০: ক্রয় বিক্রয় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে উদারতা দেখানো, উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ ও প্রাপ্য তলব করা, ওজন ও মাপে বেশি দেওয়ার মাহাত্ম্য, ওজন ও মাপে নেওয়ার সময় বেশী নেওয়া এবং দেওয়ার সময় কম দেওয়া নিষিদ্ধ এবং ধনী ঋণদাতার অভাবী ঋণগ্রহীতাকে [যথেষ্ট সময় পর্যন্ত] অবকাশ দেওয়া ও তার ঋণ মকুব করার ফযীলত

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿ وَمَا تَفۡعَلُواْ مِنۡ خَيۡرٖ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِهِۦ عَلِيمٞ ٢١٥ ﴾ [البقرة: ٢١٥]   অর্থাৎ তোমরা যে কোন সৎকাজ কর না কেন, আল্লাহ তা সম্যকরূপে অবগত। [সূরা বাকারাহ ২৪৫ আয়াত]

তিনি অন্যত্র বলেন,

﴿ وَيَٰقَوۡمِ أَوۡفُواْ ٱلۡمِكۡيَالَ وَٱلۡمِيزَانَ بِٱلۡقِسۡطِۖ وَلَا تَبۡخَسُواْ ٱلنَّاسَ أَشۡيَآءَهُمۡ ٨٥ ﴾ [هود: ٨٥] 

অর্থাৎ হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা মাপ ও ওজনকে পুরোপুরিভাবে সম্পন্ন কর এবং লোকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিয়ো না। [হুদ ৮৫ আয়াত]

তিনি আরও বলেন,

﴿ وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ ١ ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ ٢ وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ ٣ أَلَا يَظُنُّ أُوْلَٰٓئِكَ أَنَّهُم مَّبۡعُوثُونَ ٤ لِيَوۡمٍ عَظِيمٖ ٥ يَوۡمَ يَقُومُ ٱلنَّاسُ لِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٦ ﴾ [المطففين: ١،  ٦] 

অর্থাৎ ধ্বংস তাহাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়, যারা লোকের নিকট হইতে মেপে নেওয়ার সময় পূর্ণ মাত্রায় গ্রহণ করে। এবং যখন তাহাদের জন্য মেপে অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়। তারা কি চিন্তা করে না যে, তাহাদেরকে পুনরুত্থিত করা হইবে। এক মহা দিবসে; যেদিন দাঁড়াবে সমস্ত মানুষ বিশ্ব-জাহানের প্রতিপালকের সম্মুখে। [মুত্বাফফিফীন ১-৬ আয়াত]

1/1375 وَعَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلاً أَتَى النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم  يَتَقَاضَاهُ فَأَغْلَظَ لَهُ، فَهَمَّ بِهِ أَصْحَابُهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «دَعُوهُ، فَإِنَّ لِصَاحِبِ الحَقِّ مَقَالاً» ثُمَّ قَالَ: «أَعْطُوهُ سِنّاً مِثْلَ سِنِّهِ» قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، لاَ نَجِدُ إِلاَّ أَمْثَلَ مِنْ سِنِّهِ، قَالَ: «أَعْطُوهُ، فَإِنَّ خَيْرَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً». متفقٌ عَلَيْهِ

১/১৩৭৫। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, একটি লোক নবী সাঃআঃ-এর নিকট এসে রূঢ়ভাবে তাহাঁর কাছে পাওনা তলব করিল। তখন সাহাবীগণ তাকে ভৎর্সনা করিতে চাইলেন। রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ তাহাদেরকে বলিলেন, “ওকে ছেড়ে দাও। কারণ হক [পাওনা]দারের কথা বলার অধিকার আছে।” তারপর বলিলেন, “ওকে ঠিক সেই বয়সের [উট] দিয়ে দাও যে বয়সের [উট] ওর ছিল।” তাঁরা বলিলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! তার চেয়ে উত্তম [উট] বৈ পাচ্ছি না।’ তিনি বলিলেন, “ওকে [ওটিই] দিয়ে দাও, কেননা, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে ব্যক্তি উত্তম-ভাবে ঋণ পরিশোধ করে থাকে।” [বুখারী ও মুসলিম] [1]

2/1376 وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «رَحِمَ اللهُ رَجُلاً سَمْحاً إِذَا بَاعَ، وَإِذَا اشْتَرَى، وَإِذَا اقْتَضَى». رواه البخاري

২/১৩৭৬। জাবের রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন, যে ব্যক্তি উদার; যখন সে ক্রয় করে, যখন সে বিক্রয় করে এবং যখন সে পাওনা তলব করে।” [বুখারী] [2]

3/1377 وَعَن أَبي قَتَادَةَ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُنَجِّيَهُ اللهُ مِنْ كُرَبِ يَوْمِ القِيَامَةِ، فَلْيُنَفِّسْ عَنْ مُعْسِرٍ أَوْ يَضَعْ عَنْهُ». رواه مسلم

৩/১৩৭৭। আবূ কাতাদাহ রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি, “যাকে এ কথা আনন্দ দেয় যে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিনের অস্থিরতা ও বিপদ থেকে নিষ্কৃতি দেবেন, তাহলে সে যেন পরিশোধে অসমর্থ ঋণগ্রহীতা ব্যক্তিকে অবকাশ দান করে অথবা তার ঋণ মওকুফ করে দেয়।” [মুসলিম] [3]

4/1378 وَعَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كَانَ رَجُلٌ يُدَايِنُ النَّاسَ، وَكَانَ يَقُولُ لِفَتَاهُ: إِذَا أَتَيْتَ مُعْسِراً فَتَجَاوَزْ عَنْهُ، لَعَلَّ اللهَ أَنْ يَتَجَاوَزَ عَنَّا، فَلَقِيَ اللهَ فَتَجَاوَزَ عَنْهُ». متفقٌ عَلَيْهِ

৪/১৩৭৮। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “[প্রাচীনকালে] একটি লোক লোকদের ঋণ দিত এবং তার চাকরকে বলত যে, ‘যখন তুমি কোন পরিশোধে অসমর্থ ঋণগ্রহীতা ব্যক্তির কাছে যাবে, তাকে ক্ষমা করে দেবে। হয়তো [এর প্রতিদানে] আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। সুতরাং সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করলে [অর্থাৎ মারা গেলে] আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন।” [বুখারী ও মুসলিম] [4]

5/1379 وَعَن أَبي مَسعُودٍ البَدرِي رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : «حُوسِبَ رَجُلٌ مِمَّنْ كَانَ قَبْلَكُمْ، فَلَمْ يُوجَدْ لَهُ مِنَ الخَيْرِ شَيْءٌ، إِلاَّ أَنَّهُ كَانَ يُخَالِطُ النَّاسَ وَكَانَ مُوسِراً، وَكَانَ يَأمُرُ غِلْمَانَهُ أَنْ يَتَجَاوَزُوا عَن المُعْسِر. قَالَ اللهُ – عَزَّ وَجَلَّ -: نَحْنُ أَحَقُّ بِذلِكَ مِنْهُ؛ تَجَاوَزُوا عَنْهُ». رواه مسلم

৫/১৩৭৯। আবূ মাসঊদ বদরী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের মধ্যে একটি লোকের হিসাব নেওয়া হয়েছিল। তার একটি মাত্র সৎকর্ম ব্যতিরেকে আর কোন ভাল কাজ পাওয়া যায়নি। সেটি হল এই যে, সে লোক সমাজে মিলে-মিশে থাকত। সে ছিল সচ্ছল [বিত্তশালী] ব্যক্তি। নিজ চাকরদেরকে গরীব ঋণগ্রস্তদের ঋণ মকুব করার নির্দেশ দিত। [এসব দেখে] আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বলিলেন, ‘আমি তো ওর চাইতে বেশি ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারী। [হে ফেরেশতাবর্গ!] তোমরা ওকে মাফ করে দাও।” [মুসলিম] [5]

6/1380 وَعَن حُذَيفَةَ رضي الله عنه قَالَ: أُتَي اللهُ تَعَالَى بِعَبْدٍ مِنْ عِبَادِهِ آتَاهُ اللهُ مَالاً، فَقَالَ لَهُ: مَاذَا عَمِلْتَ فِي الدُّنْيَا ؟ قَالَ: «وَلاَ يَكْتُمُونَ اللهَ حَدِيثاً» قَالَ: يَا رَبِّ آتَيْتَنِي مَالَكَ، فَكُنْتُ أُبَايعُ النَّاسَ، وَكَانَ مِنْ خُلُقِي الجَوَازُ، فَكُنْتُ أَتَيَسَّرُ عَلَى المُوسِرِ، وَأُنْظِرُ المُعْسِرَ . فَقَالَ الله تَعَالَى: «أنَا أَحَقُّ بِذَا مِنْكَ تَجَاوَزُوا عَنْ عَبْدِي» فَقَالَ عُقْبَةُ بنُ عَامِرٍ، وَأَبُو مَسعُودٍ الأَنصَارِيُّ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: هَكَذَا سَمِعْنَاهُ مِنْ فيِّ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم . رواه مسلم

৬/১৩৮০। হুযাইফা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এক এমন বান্দাকে—যাকে তিনি ধনৈশবর্য দ্বারা সমৃদ্ধ করিয়াছেন; তাহাঁর কাছে হাজির করা হল। তিনি [আল্লাহ] তাকে বলিলেন, ‘তুমি দুনিয়াতে কি আমল করেছ?’ বর্ণনাকারী বলেন, অথচ আল্লাহর কাছে তারা [লোকেরা] কোন কথা গোপন রাখতে পারে না। সে বলিল, ‘প্রভু! তুমি আমাকে ধনঐশ্বর্য দিয়েছিলে। আমি জনগণের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছি। আর উদারতা ছিল আমার বিশেষ অভ্যাস, ধনীর সাথে নমনীয় ব্যবহার দেখাতাম এবং গরীবদেরকে [সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত] অবকাশ দিতাম।’ মহান আল্লাহ বলিলেন, ‘আমি তোমার চাইতে এ ব্যাপারে অধিক হকদার। [হে ফেরেশতাবর্গ!] তোমরা আমার [এই] বান্দাকে ক্ষমা করে দাও।’ উক্ববাহ ইবনি আমের ও আবূ মাসঊদ আনসারী [রাঃআঃমা] বলেন, ‘আমরা নবী সাঃআঃ প্রমুখাৎ এরূপই শুনিয়াছি।’ [মুসলিম] [6]

7/1381 وَعَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه  قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِراً، أَوْ وَضَعَ لَهُ، أَظَلَّهُ اللهُ يَومَ القِيَامَةِ تَحْتَ ظِلِّ عَرْشِهِ يَومَ لاَ ظِلَّ إِلاَّ ظِلُّهُ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

৭/১৩৮১। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যে ব্যক্তি পরিশোধে অক্ষম কোন ঋণগ্রহীতাকে [তার সচ্ছলতা আসা অবধি] অবকাশ দেবে বা তাকে ক্ষমা করে দেবে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিনে নিজ আরশের ছায়াতলে স্থান দেবেন, যেদিন তার ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকিবে না।” [তিরমিযী হাসান সহীহ][7]

8/1382 وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، اِشْتَرَى مِنْهُ بَعِيراً، فَوَزَنَ لَهُ فَأَرْجَحَ . متفقٌ عَلَيْهِ

৮/১৩৮২। জাবের রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ একবার তাহাঁর [জাবেরের] নিকট থেকে একটি উট ক্রয় করিলেন। সুতরাং তিনি তার মূল্য পরিশোধ করার সময় [স্বর্ণ-রৌপ্য প্রাপ্য অপেক্ষা] ওজনে বেশি দিলেন। [বুখারী]  [8]

9/1383 وَعَن أَبي صَفْوَان سُويْدِ بنِ قَيس قَالَ: جَلَبْتُ أَنَا وَمَخْرَمَةُ العَبْدِيُّ بَزّاً مِنْ هَجَرَ، فَجَاءَنَا النَّبِيُّ، فَسَاوَمَنَا بسَرَاوِيلَ، وَعِندِي وَزَّانٌ يَزِنُ بِالأَجْرِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْوَزَّانِ: «زِنْ وَأَرْجِحْ». رواه أَبُو داود، والترمذي وقال: حديث حسن صحيح

৯/১৩৮৩। আবূ সাফওয়ান সুআইদ ইবনি ক্বাইস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও মাখরামাহ আব্দী ‘হাজার’ নামক জায়গা থেকে কিছু কাপড় [বিক্রির উদ্দেশ্যে] আমদানি করেছিলাম। নবী সাঃআঃ আমাদের নিকট এসে পায়জামার দর-দাম করিতে লাগলেন। আমার নিকটে একজন কয়াল [মাপনদার] ছিল, যে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে [স্বর্ণ-রৌপ্য] ওজন করে দিত। সুতরাং তিনি কয়ালকে বলিলেন, “ওজন কর ও একটু ঝুঁকিয়ে ওজন কর।” [আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান সহীহ] [9]


[1] সহীহুল বুখারী ২৩০৫, ২৩০৬, ২৩৯০, ২৩৯২, ২৩৯৩, ২৪০১, ২৬০৬, ২৬০৯, মুসলিম ১৬০১, তিরমিযী ১৩১৬, নাসায়ী ৫৬১৮, ৪৬৯৩, ইবনু মাজাহ ২৪২৩, আহমাদ ৮৬৮০, ৮৮৬২, ৯১২৪, ৯১৮৯, ৯৫৭০, ৯৮১৪, ১০২৩১

[2] সহীহুল বুখারী ২০৭৬, তিরমিযী ১৩২০, ইবনু মাজাহ ২২০৩, আহমাদ ১৪২৪৮, মুওয়াত্তা মালিক ১৩৯৫

[3] মুসলিম ১৫৬৩, আহমাদ ২২০৫৩, ২২১১৭, দারেমী ২৫৮৯

[4] সহীহুল বুখারী ২০৭৮, ৩৪৮০, মুসলিম ১৫৬২, নাসায়ী ৪৬৯৪, ৪৬৯৫, আহমাদ ৭৫২৫, ৮১৮৭, ৮২৬২, ৮৫১৩

[5] সহীহুল বুখারী ২৩৯১, মুসলিম ১৫৬১, তিরমিযী ১৩০৭, ২৬৭১, ইবনু মাজাহ ২৪২০, আহমাদ ১৬৬১৬, ১৬৬৩৫

[6] মুসলিম ১৫৬০, সহীহুল বুখারী ২০৭৭, ইবনু মাজাহ ২৪২০, আহমাদ ২২৭৪২, ২২৮৪৩, ২২৮৭৫, ২২৯৫৩, দারেমী ২৫৪৬

[7] তিরমিযী ১৩০৬, ইবনু মাজাহ ২৪১৭, আহমাদ ৮৪৯৪

[8] সহীহুল বুখারী ৬২০৪, মুসলিম ৭১৫, ১৫৯৯

[9] আবূ দাউদ ৩৩৩৬, তিরমিযী ১৩০৫, নাসায়ী ৪৫৯২, ইবনু মাজাহ ২২২০, ৩৫৭৯, আহমাদ ১৮৬১৯, দারেমী ২৫৮৫

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply