সূর্যগ্রহণের সলাতে ক্ববরের শাস্তি এর উল্লেখ

সূর্যগ্রহণের সলাতে ক্ববরের শাস্তি এর উল্লেখ

সূর্যগ্রহণের সলাতে ক্ববরের শাস্তি এর উল্লেখ >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৩. অধ্যায়ঃ সূর্যগ্রহণের সলাতে ক্ববরের শাস্তি এর উল্লেখ

১৯৮৩

আম্‌রাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

এক ইয়াহূদী মহিলা আয়িশা [রাদি.]-কে কিছু জিজ্ঞেস করার উদ্দেশে তাহাঁর নিকট আসলো। এসে বলিল, আল্লাহ আপনাকে ক্ববর আযাব থেকে মুক্তি দিন। আয়িশা [রাদি.] বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! মানুষকে ক্ববরে কি আযাব দেয়া হইবে? আমরাহ-এর বর্ণনা অনুযায়ী আয়িশা [রাদি.] বলেন, নাউযুবিল্লাহ। অতঃপর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] একদিন সকালবেলা সওয়ারীতে আরোহণ করিলেন, তখন সূর্যগ্রহণ লাগছিল। আয়িশা [রাদি.] বলেন, আমি কতিপয় মেয়ে লোকদের সাথে নিয়ে হুজরাগুলোর পিছন দিয়ে বের হলাম। আর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] সওয়ারী থেকে নেমে যেখানে নামাজ আদায় করিতেন সোজা সেখানে পৌঁছলে তিনি সলাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। লোকেরাও সঙ্গে সঙ্গে তাহাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেল। আয়িশা [রাদি.] বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] লম্বা ক্বিয়াম করিলেন। অতঃপর রুকূ করিলেন এবং রুকূও লম্বা করিলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে আবার বেশ কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন যা পূর্বের ক্বিয়াম অপেক্ষা কিচু কম। অতঃপর রুকূতে গেলেন তবে তা প্রথম রুকূ অপেক্ষা কম ছিল। তারপর মাথা উত্তোলন করিলেন। এতক্ষণে সূর্য একেবারে উজ্জ্বল হয়ে গেল। তিনি বলিলেন, আমি দেখিতে পেলাম তোমরা ক্ববরেও দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হইবে।

আম্‌রাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আমি আয়িশা [রাদি.]-কে বলিতে শুনেছি, এরপর থেকে আমি শুনতে পেতাম যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জাহান্নামের আযাব থেকে ও ক্ববর আযাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৬৭, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৭৪]

১৯৮৪

ইয়াহ্ইয়া ইবনি সাঈদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

সুলায়মান ইবনি বিলাল-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৬৮, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৭৫]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply