কোরআন শরিফ বাংলা pdf ডাউনলোড করুন

কোরআন শরিফ বাংলা

কোরআন শরিফ বাংলা নিচে অনেক গুলো প্রকাশনীর কুরআন শরীফ দেয়া আছে, আপনার যেটা ভাল লাগে পড়তে পারেন ও ডাউনলোড করতে পারেন। এখান থেকে আমার ১ নম্বরটি Unicode এ প্রকাস করেছি। আপনার সহজে এতই পড়তে পারবেন। ইনশাল্লাহ। আল কুরআনুল কারীম সরল অরথানুবাদ – প্রকাশনায় আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ( আরবী ও Unicode বাংলা ) পরার সময় আপনারা ক্বারি আব্দুল বাসিত এর কণ্ঠে অডিও সুনতে পারবেন এবং ডাউনলুড করতে পারবেন ।

কোরআন শরিফ pdf

  1. আল কুরআনুল কারীম সরল অরথানুবাদ – প্রকাশনায় আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ( আরবী ও Unicode বাংলা )
  2. কোরআন শরিফ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ – হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ ( আরবী ও বাংলা )
  3. কোরআনের পুরনাঙ্গ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ – হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ – প্রকাশনায় আল কোরআন একাডেমী লন্ডন ( বাংলা )
  4. আল কুরআন বাংলা অনুবাদ – ডাঃ জহুরুল হক ( বাংলা )
  5. পবিত্র আল কোরআন – ইউনিকসফট

উপরের সবগুল কুরআন শরীফ এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন

উপদেষ্টা পরিষদ

  • উস্তাদ মুহাম্মাদ সুলতান যওক নদভী
  • মুফতী সাঈদ আহমাদ
  • মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
  • মুফতী নূরুদ্দীন
  • মাওলান সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী
  • মাওলানা আবুল কালাম আযাদ
  • মাওলানা ক্বারী মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ
  • মাওলানা মাসরুর আহমদ ফযল আহমদ
  • মাওলানা মুফতী শামসুদ্দীন জিয়া
  • বিচারপতি আব্দুর রউফ
  • জনাব মুহাম্মদ মুফাজ্জাল হুসাইন খান
  • প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান
  • ড. খন্দকার আবু নসর মো. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

পরিচালনা পরিষদ

  • নূর মুহাম্মাদ বদীউর রহমান (নুর বদী), মহাপরিচালক (চেয়ারম্যান, আল-বায়ান ফাঃ বাংলাদেশ)
  • নুমান আবুল বাশার, উপ-মহাপরিচালক (উপ-মহাপরিচালক, আবহাস এডুকেশনাল এন্ড রিসার্চ সোসাইটি, বাংলাদেশ)
  • ড. মানজুরে ইলাহী, নির্বাহী পরিচালক (সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ)
  • হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল, সহযোগী নির্বাহী পরিচালক (চেয়ারম্যান, তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ)
  • নূরুল কবীর, সদস্য (পরিচালক, অনুবাদ ও প্রকাশনা বিভাগ, আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
  • সাইদুল্লাহ জালাল, সদস্য (পরিচালক, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিভাগ, আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
  • মুহাম্মদ হারূনুর রশীদ, সদস্য (পরিচালক, মসজিদ ও দাওয়া বিভাগ, আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
  • মুহাম্মদ ইল্‌ইয়াস, সদস্য (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
  • হা. মুহাম্মদ ছিদ্দীক, সদস্য (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
  • আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সদস্য (ভাইস চেয়ারম্যান, তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ)
  • মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম আবদুর রব, সদস্য (গবেষণা কর্মকর্তা, কাউন্সিল ফর ইসলামিক রিসার্চ, মসজিদ কাউন্সিল)

সম্পা দনা পরিষদ

  • ড. আব্দুল জলীল – গবেষণা কর্মকর্তা, ইসলামী বিশ্বকোষ বিভাগ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ
  • মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান আল-মাদানী – প্রিন্সিপাল, মিছবাহুল উলূম কামিল মাদ্‌রাসা, ঢাকা
  • ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী – সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
  • মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক – মহাপরিচালক, আবহাস এডুকেশনাল এন্ড রিসার্চ সোসাইটি, বাংলাদেশ
  • ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া – চেয়ারম্যান, আল ফিক্‌হ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া
  • ড. হাসান মুহাম্মদ মুঈন উদ্দীন – সহকারী অদ্যাপক, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • মুহাম্মাদ আব্দুল কাদের – সহকারী অধ্যাপক, দাওয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

অনুবাদ পরিষদ

০১-১৫ পারা

  • নু‘মান আবুল বাশার
  • আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
  • কাউসার বিন খালেদ
  • আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী

১৬-৩০ পারা

  • আনোয়ার হোসাইন
  • মোল্লাআ. ন. ম. হেলালউদ্দিন
  • যুবায়ের মোহাম্মদ এহসানুল হক
  • মো: মুখতার আহমেদ

উপদেষ্টা পরিষদের কথা

পবিত্র কোরআন শরীফ ডাউনলোড ও অর্থানুবাদ নিঃসন্দেহে এক মহিমান্বিত কাজ। নসীহত ও পরামর্শদানের মাধ্যমে এ কাজে অংশ নিতে পেরে নিজেদেরকে আমরা সৌভাগ্যবান মনে করছি। এ প্রকল্পের পরিচালক, দায়িত্বশীলব্যক্তিবর্গ সবাইকে জ্ঞাপন করছি আন্তরিক শুকরিয়া; তারা বিশাল একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়েছেন যা স্থান-কাল নির্বিশেষে মুসলিম উম্মাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত। আর তা হল প্রতিটি জাতির নিজস্ব ভাষায কোরআন শরিফ বাংলা অর্থানুবাদ যা নিঃসন্দেহে একটি কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

আমরা তাদের এই মুবারক পদক্ষেপকে যথার্থভঅবে মূল্যায়ন করি এবং তার জন্য শুকরিয়া জানাই। আমাদের প্রতি তাদের আস্থা সত্যিই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘উপদেষ্টা- নির্ভরতার পাত্র’। আমরা তাদেরকে এ মহৎকর্ম সম্পাদনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছি। কেননা কোরআন শরীফ এর অর্থানুবাদের ক্ষেত্রে ভুল করা হবে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপের শামিল। রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন জাহান্নামে তার আসন প্রস্তুত কনে নেয়।’ রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর উপর মিথ্যা আরোপের ব্যাপারটা এরূপ কঠোর শাস্তিযোগ্য হলে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপের শাস্তি কী হবে তা বলাই বাহুল্য।

অনুবাদকর্মের কোথাও কোন ভুল অথবা অসংগত অভিব্যক্তি পরিলক্ষিত হলে দ্বিতীয় সংস্করণে তা পরিবর্তন ও পরিশুদ্ধ করে দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। তাদের লক্ষ্যমাত্র অর্জনে আল্লাহ তাদেরকে তাওফীক দিন এবং তাদেরকে সঠিক পথে পরিচলিত করুন। তিনিই তাওফীকদাতা।

তারিখ : ১৪ শাবান, ১৪২৯, ১৬ আগষ্ট, ২০০৮ ইংরেজী

পরিচালকের কথা

মহাগ্রন্থ কুরআন আল্লাহ প্রদত্ত অজর-অক্ষয় এক সার্বজনীন মুজিযা, যা ইতিহাসের গভীরে হারিয়ে যাওয়া অন্যান্য নবী-রাসূলদের মুজিযাসমগ্রকে ছাপিয়ে কালান্তরে ধরে রেখেছে এবং রাখবে তার চির সজীবতা  আল্লাহর একান্ত ইচ্ছা ও তত্ত্বাবধানে। ইরশাদ হয়েছে:

অর্থ : ‘‘নিশ্চয় আমি কুরআন নাযিল করেছি, আর আমিই তার হিফাজতকারী।’’ [সূরা আল-হিজর : ৯]

পবিত্র কোরআন শরীফ অনতিক্রম্য এক মহাগ্রন্থ। সমগ্র মানবজাতির তাবৎ মেধা  ও পান্ডিত্য যার মোকাবিলা করতে অক্ষম-অপারগ। আল কুরআনের অনুরূপ কোন গ্রন্থ সংকলন তো দূরে থাক, এর ছোট একটি আয়াততুল্য কোন রচনা উপহার দেয়াও কারো পক্ষে সম্ভব নয়। আল কুরাআন তার সন্নিবিষ্ট জ্ঞানভান্ডারে তথ্যের ব্যাপকতায় বাণী-বিন্যাসে চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছে সমগ্র মানবকুল ও জিনজাতিকে  যুগ যুগ ধরে। এছাড়া উপমা-উৎপ্রেক্ষা ও ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণনায় এর নজির দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না। ইরশাদ হয়েছে:

قُل لَّئِنِ ٱجۡتَمَعَتِ ٱلۡإِنسُ وَٱلۡجِنُّ عَلَىٰٓ أَن يَأۡتُواْ بِمِثۡلِ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانِ لَا يَأۡتُونَ بِمِثۡلِهِۦ وَلَوۡ كَانَ بَعۡضُهُمۡ لِبَعۡضٖ ظَهِيرٗا

অর্থ : ‘‘বল, যদি মানুষ ও জিন এ কোরআন শরিফ বাংলা এর অনুরূপ হাজির করার জন্য একত্র হয়, তবও তারা এর অনুরূপ হাজির করতে পারবে না। যদিও তারা একে অপরের সাহায্যকারী হয়।’’ [সূরা আল-ইসরা : ৮৮]

আরো ইরশাদ হয়েছে,

وَلَوۡ كَانَ مِنۡ عِندِ غَيۡرِ ٱللَّهِ لَوَجَدُواْ فِيهِ ٱخۡتِلَٰفٗا كَثِيرٗا

অর্থ : ‘‘আর যদি তা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হত তবে অবশ্যই তারা এতে অনেক বৈপরীত্য দেখতে পেত।’’ [সূরা আন্-নিসা : ৮২]

আল- কোরআন শরীফ এমনই এক গ্রন্থ যা পাঠে অর্জিত হয় সাওয়াব। যার  তিলাওয়াত ইবাদাত বলে গণ্য।  যার চিরসতেজ ঝরনাধারা কখনো শুষ্ক হবার  নয়।

আল কোরআন শরিফ বাংলা এর মাহাত্ম্য এখান থেকেও অনুধাবন করা যায় যে, এর পাঠক প্রতিদান পায় বহুগুণ বর্ধিত আকারে। হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে,আব্দুল্লা ইবন মাসঊদ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পাঠ করবে সে এর সাওয়াব  পাবে। আর এক সাওয়াবের পরিমাণ হবে তার তুল্য দশ সাওয়াবের সমপরিমাণ।  আমি বলি না যে, ‘’ এক অক্ষর, বরং  ‘  ’ এক  অক্ষর, ‘’ এক অক্ষর ও ‘’ এক অক্ষর। [সুনান তিরমিযী, হাদীস -২৯১০]

আল- কোরআন শরীফ হল আল্লাহর সেই মজবুত রজ্জু যার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে তাঁর বান্দার সম্পর্ক ও নৈকট্য তৈরী হয়। হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘সুসংবাদ, সুসংবাদ! তোমরা কি সাক্ষ্য দাও না যে আল্লাহ ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই এবং নিশ্চয় আমি আল্লাহর রাসূল? তারা (সাহাবাগণ) বললেন, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেন,‘এ কুরআন একটি রশিতুল্য যার এক দিক আল্লাহর হাতে এবং অপর দিক তোমাদের হাতে। অতএব তোমরা তা মজবুত করে ধর; কেননা তোমরা এরপর কখনো পথভ্রষ্ট হবে না, আর হবে না ধ্বংসপ্রাপ্ত। [সহীহ ইবন হিব্বান, হাদীস -১২২]

এ কিতাব হচ্ছে তিলাওয়াতকারীদের প্রকৃত বন্ধু, যা তাদের থেকে দুনিয়া ও আখিরাতে কখনো পৃথক হবে না, বরং তা তাদের জন্য কিয়ামতের ময়দানে শাফাআতকারী হবে। হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে, ‘কুরআন শাফাআত করবে এবং তার শাফাআত কবুল করা হবে। কুরআন যে বিতর্ক করবে তা সত্য বলে মেনে নেয়া হবে। তাই যে ব্যক্তি কুরআনকে তার ইমাম বানাবে কুরআন তাকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করবে, আর যে তাকে পশ্চাতে  রাখবে সে তাকে দোজখের দিকে হাঁকিয়ে নেবে’। [আল-মু‘জামুল কাবীর : হাদীস -৮৬৫৫]

যে ব্যক্তি কুরআনকে ইমাম ও সঙ্গী বানিয়ে নেয় তার মর্যাদা বর্ণনায় আরো একটি হাদীস উল্লেখযোগ্য। রাসূল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,‘ নিশ্চয় মানুষের মধ্যে আল্লাহ তাআলার আহ্ল রয়েছে। জিজ্ঞাসা করা হল, ‘মানুষের মধ্যে আল্লাহ আহ্ল কারা’? তিনি বললেন, ‘কুরাআনের ধারকরাই হল আল্লাহর আহল ও একান্ত  ব্যক্তিবর্গ’। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস -১২৭] অতএব ধন্য সে যে কুরআনকে তার সঙ্গী বানাল; মুবারক সে যে তা হিফ্য করল এবং করাল; যে তা পড়ল এবং পড়াল; যে তা শিখল এবং শেখাল। এরাই হল মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ সন্তান। উসমান রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিখল এবং শেখাল’। [সহীহ বুখারী, হাদীস -৪৭৩৯]

হাদীসে আরো উল্লেখিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ব্যক্তি সেই যে, কোরআন শরিফ বাংলা ধারক-বাহক এবং রাত্রিজাগরণকরী’’। [বায়হাকী, হাদীস-২৭০৩]

এতসব গুরুত্ব ও মর্যাদার নিরিখে বলা যায় যে, এ মহান গ্রন্থের অর্থানুবাদ একটি কঠিনতর আমানত যা আদায় করতে হয় সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে। আল্লাহ তাআলা বলেন,

إِنَّا سَنُلۡقِي عَلَيۡكَ قَوۡلٗا ثَقِيلًا

‘নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি এক অতি ভারী বাণী নাযিল করেছি।’ [সূরা আল-মুয্যাম্মিল : ৫]

এ কারণেই অর্থানুবাদের এ গুরু-দায়িত্ব  এককভাবে কোন ব্যক্তির উপর আরোপ করা হয়নি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় তিনি যতই পরিপক্ক হোন না কেন; বরং এর জন্য গঠন করা হয়েছে একটি প্রাজ্ঞ কমিটি, যাদের মধ্যে রয়েছেন কুরআন-গবেষক, আরবী ও  বাংলা ভাষায় সমান দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ, যারা  পূর্ববর্তী অনুবাদগুলো থেকে উপকৃত হয়েছেন এবং চেষ্টা করেছেন বিশুদ্ধতার বিচারে সর্বোত্তম তরজমা উপহার দিতে।

অনুবাদকর্ম সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাজ্ঞ একদল  সম্পাদনা পরিষদের মাধ্যমে তা আরো সমৃদ্ধ ও পরিমার্জিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা আমাদের সাধ্যানুযায়ী কুরআনের মূলভাব ও অর্থ রক্ষা করে তা সরল বাংলায় উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। এতদসত্ত্বেও ভুলত্রুটি থেকে-যাওয়া খুবই স্বাভাবিক বলে মনে করি। সে হিসেবে উলামা-মাশায়েখ, শরীয়তবিদ, কুরআন-গবেষক, সাহিত্যিক ও ভাষাবিদদের কাছে আমাদের আবেদন, মেহেরবানী পূর্বক ভুলত্রুটি বিষয়ে আমাদেরকে অবহিত করবেন, তাহলে পরবর্তীকালে অনুবাদকর্মটিকে আমরা আরো বিশুদ্ধ ও সমৃদ্ধ করতে সচেষ্ট হব ইনশা আল্লাহ।

এখানে একটি বিষয় আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই যে, অনুবাদ বলতে আমরা শুধু আল-কুরআনের অর্থের অনুবাদই বুঝাতে চেয়েছি। কেননা সরাসরি আল-কুরআনের অনুবাদ কোন মানুষের পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়। কারণ কুরআনে আল্লাহ তাআলা যে অর্থ-ভাব ও দ্যোতনার সঞ্চার করেছেন তা যথার্থভাবে উদ্ধার করা এবং মানবীয় ভাষায় যথার্থভাবে তা ব্যক্ত করা একটি সাধ্যাতীত কাজ। আরবী ভাষার পন্ডিত ব্যক্তিরা যেখানে কোরআন শরীফ ৩০ পারা সঞ্চারিত সকল ভাব-অর্থ-দ্যোতনা হৃদয়ঙ্গম করতে ব্যর্থ হয়েছেন সেখানে সরাসরি আল কুরআন অনুবাদের তো কোন প্রশ্নই আসে না। 

পরিশেষে, যারা অর্থানুবাদের  এ মহান কাজটি  যথাসময়ে সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করতে  অবদান রেখেছেন, বিশেষ করে  উপদেষ্টা পরিষদ, পরিচালনা পরিষদ,  অনুবাদ ও সম্পাদনা পরিষদ, সহযোগী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং যারা আর্থিক অনুদান দিয়ে এ অনুবাদকর্মটি প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছেন,  তাদের সকলকে জানাই  আন্তরিক শোকরিয়া। মহান আল্লাহর কাছে দো‘আ করি, তিনি  যেন তাঁদের সবার শ্রম ও কর্ম কবুল করেন এবং  তাদেরকে আহসানুল জাযা দান করেন। তাঁর পবিত্র কিতাব ও তার শিক্ষা-আদর্শ প্রচারে যারাই ভূমিকা রাখছেন তাদের সবাইকে যেন তিনি বেশি বেশি তওফীক দান করেন; কেননা একমাত্র তিনিই তাওফীকদাতা ও সরলপথের দিশারী।

নূর মোহাম্মদ বদীউর রহমান ,

চেয়ারম্যান, আল-বায়ান ফাঃ , বাংলাদেশ

তারিখ : ১৪ শাবান, ১৪২৯ , ১৬ আগস্ট, ২০০৮ই.

সম্পাদনা পরিষদের কথা – পবিত্র কোরআন শরীফ ডাউনলোড

সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি তাঁর মহান গ্রন্থে ঘোষণা করেছেন,

الٓرۚ كِتَٰبٌ أُحۡكِمَتۡ ءَايَٰتُهُۥ ثُمَّ فُصِّلَتۡ مِن لَّدُنۡ حَكِيمٍ خَبِيرٍ

‘‘এটি কিতাব যার আয়াতসমূহ সুস্থিত করা হয়েছে, অতঃপর বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে প্রজ্ঞাময়, সবিশেষ অবহিত সত্বার পক্ষ থেকে। [সূরা হূদ : ১]

قَدۡ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٞ وَكِتَٰبٞ مُّبِينٞ

 ‘‘অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে।’’ [সূরা আল-মায়েদা : ১৫]

সালাত ও সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি, যিনি বলেছেন,

خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ القُرْآنَ وَعَلَّمَهُ.

‘সে-ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম যে কোরআন শরীফ ৩০ পারা শিখে ও শেখায়।’ [সহীহ আল-বুখারী]।

আরো সালাম বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার ও সাহাবীবৃন্দ- সকলের প্রতি।

আল-কুরআনুল কারীম আল্লাহর একমাত্র সংরক্ষিত কিতাব যা বাতুলতার সকল স্পর্শ থেকে সদা-পবিত্র।  কোরআন শরীফ ৩০ পারা তার ভাষার নৈপুণ্যে, শব্দের অলংকরণে ও উপমা-উৎপ্রেক্ষায় অলৌকিক; বক্তব্যে-অভিব্যক্তিতে অনন্য; অর্থের ব্যাপকতায় ও ভাবের প্রকাশভঙ্গিমায় অতুলনীয়। আল-কুরআন আল্লাহর কালাম ও পূর্ণাঙ্গতম রববানী পথ-পদ্ধতি যা মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেয়।

এ অলৌকিকতা ও মাহাত্ম্যের কারণেই যখন কেউ এর অর্থ ও ভাব অন্য ভাষায় ভাষান্তর  করতে চায় তখন অভিজ্ঞতায় সিক্ত হওয়া সত্ত্বেও এ গুরুভার-কর্ম তাকে নিশ্চিতরূপে ঘাবড়ে দেয়। তবে যেহেতু পবিত্র কুরআন নাযিল হওয়ার মূল উদ্দেশ্যই হল এর সন্নিবিষ্ট বিষয়সমূহ জীবন-সংলগ্ন করে নেয়া, এর হিদায়াত অনুযায়ী পথ চলা, তাই  ইহ-পরকালীন কল্যাণপ্রত্যাশী প্রতিটি মানুষের অবশ্য কর্তব্য আল-কুরআনের বক্তব্য অনুধাবন করা। এর আয়াতসমূহ গুরুত্বসহকারে বুঝা। যারা আরবী ভাষাভাষী, যেহেতু আল-কুরআন তাদের ভাষায়ই নাযিল হয়েছে, তাদের জন্য তাই এ কাজটি নিঃসন্দেহে সহজ। তবে যারা অনারব, অনুবাদের আশ্রয় ছাড়া কুরআনের বক্তব্য বুঝা তাদের পক্ষে দুষ্কর। এ হিসেবে অন্যান্য  ভাষায় বাঙলা কোরআন অনুবাদ একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তবে এ কাজটি যে মোটেও সহজসাধ্য  নয় তা বলাই বাহুল্য। তবু এ গুরুভার কর্মটি সম্পাদনের জন্য এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন ভাষায় কথা বলা কোরআন শরীফ ৩০ পারা -প্রেমিকদের অনেকেই। আমাদের বাংলা ভাষার বলয়েও বেশ  কিছু অনুবাদ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে একক প্রচেষ্টায় উপহার দিতে সক্ষম হয়েছেন আমাদের প্রাজ্ঞ উলামা-মাশায়েখ ও গবেষকদের অনেকেই। ইসলামিক ফাঃ বাংলাদেশও একটি অনুবাদ বাংলা ভাষাভাষীকে উপহার দিতে প্রয়াস পেয়েছে যার পিছনে কাজ করেছে খ্যাতিমান শরীয়তবিদ, ও ভাষাবিদদের সমন্বিত প্রচেষ্টা। তবে সাবলীলতা ও বিশুদ্ধতার বিচারে আরো উত্তম একটি অনুবাদ উপহার দেওয়ার ইচ্ছায় অনুপ্রাণিত হয়ে আল-বায়ান ফাঃ নতুন করে উদ্যোগ গ্রহণ করে যা সত্যিই প্রশংসার দাবি  রাখে। আল-বায়ান ফাঃ এ মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুবাদ, সম্পাদনা, পরামর্শ, ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে বিশাল  এক কর্মী বাহিনী নিয়োগ করে, যারা – আমাদের ধারণা অনুযায়ী- অত্যন্ত দক্ষতা ও ঐকান্তিকতার সাথে অনুবাদকর্মের সকল পর্যায় অতিক্রম করে একটি চমৎকার অনুবাদ উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে।

এটা নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলার বিশেষ অনুগ্রহ যে, তিনি আমাদেরকে একমাত্র তাঁরই উপর তাওয়াক্কুল করে এ মুবারক প্রকল্পে জড়িত হওয়ার তাওফীক দান করেছেন।

কাজের ধরন-প্রকৃতি বিষয়ে বলা যায় যে, শুরুতে বিজ্ঞ অনুবাদকমন্ডলী তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করে সাবলীল ভাষায় অনুবাদকর্ম সম্পন্ন করতে প্রয়াস পেয়েছেন। পরবর্তী পর্যায়ে সম্পাদকমন্ডলীর হাতের ছোঁয়ায় সেগুলোকে আরো সমৃদ্ধ এবং তাতে আরো উৎকর্ষ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে সর্বশেষ সম্পাদনা ও নিরীক্ষা পরিষদ অনুবাদকর্মটি আদ্যোপান্ত পরীক্ষা করে দেখেছেন এবং সম্পাদকমন্ডলীর দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া কোন অসংগতি কোথাও থেকে গেলে তা সংশোধন করতে প্রয়াস পেয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, অনুবাদকর্ম যাতে অভিন্ন ধারার অনুবর্তীতায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়, সে লক্ষ্যে  ব্যবস্থাপনা ও সম্পদনা পরিষদ শুরুতেই কিছূ নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন, যা এই অনুবাদকর্মের শেষে সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে। এ অনুবাদকর্মের সাথে বাঙলা কোরআন এর যে মূল পাঠ  ছাপা হয়েছে তার তিলাওয়াত সহজ করার জন্য-  তার পঠন-পদ্ধতি সম্পর্কেও একটি নির্দেশিকা সংযুক্ত করা হয়েছে।

আমরা সর্বার্থে বুঝতে পারি যে, বাঙলা কোরআন অর্থানুবাদ  যত দক্ষ হাতেই করা হোক না কেন, তা কুরান শরিফ বক্তব্যের শতভাগ প্রতিনিধিত্ব করতে অক্ষম। অনুবাদের মাধ্যমে যেটুকু ভাব ও অর্থ প্রকাশিত হয় তা কেবলই কুরান শরিফ অর্থ অনুধাবনে অনুবাদকের উপলব্ধির  ফসলমাত্র। আর মানুষের জ্ঞান-উপলদ্ধি শতভাগ ত্রুটিমুক্ত হবে- এ ধারণা নিশ্চয় অবান্তর। সে হিসেবে আমাদের এই অনুবাদকর্ম শতভাগ ত্রুটিমুক্ত বলে দাবি করার দুঃসাহসিকতা আমাদের নেই। তাই  সুহৃদ পাঠকমন্ডলীর কাছে আমাদের আবেদন  এতে কোন ভুল-ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে আমাদেরকে অবশ্যই জ্ঞাত করবেন।  পরবর্তী সংস্করণে সেগুলো শুদ্ধ করার প্রয়াস অবশ্যই থাকবে ইনশাআল্লাহু তাআলা।

পরিশেষে আল্লাহর কাছে আমাদের দোআ তিনি যেন এ মহান আমল কবুল করেন এবং একে আমাদের সকলের নাজাতের উসিলা বানান। আমীন!

তারিখ : ১৪ শাবান, ১৪২৯, ১৬ আগস্ট, ২০০৮ ইংরজি

অনুবাদ নীতিমালা

বাঙলা কোরআন কারীমের সরল অর্থানুবাদে যে নীতিমালা অনুসৃত হয়েছে তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নিচে দেয়া হল:

  1. আরবী পরিভাষাগুলো আরবীতে রাখা হয়েছে, (কুরান শরিফ)যেমন- ইবাদাত, সালাত, সাওম, যাকাত, হজ্জ, রাসূল, দীন, ঈমান, ইসলাম, রব ইত্যাদি।
  2. ‘আল্লাহ’ বা ‘ইলাহ’ শব্দের স্থলে খোদা ব্যবহার না করে, ‘আল্লাহ’ বা ‘ইলাহ’ হুবহু রেখে দেওয়া হয়েছে।
  3. আল্লাহ যেখানে ‘আমরা’ (বহুবচন) সর্বনাম ব্যবহার করেছেন, সেখানে ‘আমি’ ব্যবহার করা হয়েছে।
  4. আল্লাহর সকল সিফাতকে প্রকৃত অর্থে অনুবাদ করা হয়েছে।
  5. সকল ক্ষেত্রে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আকীদা যাতে অনুসৃত হয়, সে চেষ্টা করা হয়েছে।
  6. অনুবাদের ক্ষেত্রে তাফসীরের গুরুত্বপূর্ণ কিতাবগুলোর বক্তব্য সামনে রাখা হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: তাফসীর আত-তাবারী, তাফসীর ইবন কাসীর, যাদুল মাসীর, ফাতহুল কাদীর, আদওয়াউল বায়ান প্রভৃতি।
  7. যে সকল ক্ষেত্রে শব্দের ব্যাখ্যায় একাধিক মত রয়েছে, সেখানে পর্যালোচনার পর বিশুদ্ধ মতটি নেয়া হয়েছে। আর যেখানে দু’টো মত সমানভাবে প্রযোজ্য সেখানে একটি মত মূল অনুবাদে রেখে অন্য মতটি ফুটনোট দেয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআন শরীফ ডাউনলোড

পবিত্র কোরআন শরীফ ডাউনলোড করতে হলে নিচের যে কোন নাম দিয়ে খুজতে পারেন –

কুরান তেলাওয়াত, কুরান শরিফ, কুরআন , কুরআন apps , কুরআন mp3 , কুরআন অনুবাদ , কুরআন ও বিজ্ঞান , কুরআন তিলাওয়াত , কুরআন তিলাওয়াত অডিও , কুরআন তিলাওয়াত ডাউনলোড , কুরআন শরিফ , কুরআন শিক্ষা , কুরআন শিক্ষা pdf , কুরআন শিক্ষা সফটওয়ার , কুরআন সংকলনের ইতিহাস , কুরআনের আয়াত , কুরআনের তাফসীর , কুরানের আয়াত , কোরআন , কোরআন ডাউনলোড , কোরআন তরজমা , কোরআন তেলয়াত , কোরআন তেলাওয়াত , কোরআন তেলাওয়াত mp3 , কোরআন তেলাওয়াত অডিও , কোরআন তেলাওয়াত অডিও ডাউনলোড , কোরআন তেলাওয়াত অনুবাদ সহ , কোরআন তেলাওয়াত অর্থ সহ , কোরআন তেলাওয়াত ডাউনলোড , কোরআন তেলোয়াত , কোরআন তেলোয়াত ৩০ পারা , কোরআন তেলোয়াত ডাউনলোড , কোরআন বাংলা , কোরআন শরিফ , কোরআন শরিফ আরবি , কোরআন শরিফ ডাউনলোড , কোরআন শরিফ বাংলা , কোরআন শরীফ , পবিত্র কোরআন শরীফ ডাউনলোড , কোরআন শরীফ ৩০ পারা , কোরআন শরীফ bangla , কোরআন শরীফ ডাউনলোড , কোরআন শরীফ ডাউনলোড pdf , কোরআন শরীফ তেলাওয়াত , কোরআন শরীফের অডিও , কোরআন শরীফের অনুবাদ , কোরআন শরীফের সুরা , কোরআন শিক্ষার বই , কোরআন শিক্ষার সফটওয়্যার , কোরআনের আয়াত , কোরআনের তাফসির , কোরআনের বাংলা অনুবাদ , কোরআনের বাণী , বাঙলা কোরআন , বা্লা কুরআন , বাঃলা কোরান , পবিত্র কোরআন শরীফ ডাউনলোড

By Quran Sharif

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply