পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত -রিয়াদুস সালেহীন

পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত -রিয়াদুস সালেহীন

পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত -রিয়াদুস সালেহীন >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১৮০: পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত

1/998 عَنْ أَبي أُمَامَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «اقْرَؤُوا القُرْآنَ ؛ فَإِنَّهُ يَأتِي يَوْمَ القِيَامَةِ شَفِيعاً لأَصْحَابِهِ». رواه مسلم

১/৯৯৮। আবূ উমামাহ রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূল সাঃআঃ-কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি যে, “তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা, কিয়ামতের দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশ-কারী হিসাবে আগমন করিবে।” [মুসলিম] [1]

2/999 وَعَنِ النَّوَّاسِ بنِ سَمْعَانَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «يُؤْتَى يَوْمَ القِيَامَةِ بِالقُرْآنِ وَأَهْلِهِ الَّذِينَ كَانُوا يَعْمَلُونَ بِهِ فِي الدُّنْيَا تَقْدُمُهُ سُورَةُ البَقَرَةِ وَآلِ عِمْرَانَ، تُحَاجَّانِ عَنْ صَاحِبِهِمَا». رواه مسلم

২/৯৯৯। নাওয়াস ইবনি সাম‘আন রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি যে, “কুরআন ও ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে [বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে] পেশ করা হইবে। সূরা বাকারাহ  ও সূরা আলে ইমরান তার আগে আগে থাকিবে এবং তাহাদের পাঠকারীদের স্বপক্ষে [প্রভুর সঙ্গে] বাদানুবাদে লিপ্ত হইবে। [মুসলিম] [2]

3/1000 وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ». رواه البخاري

৩/১০০০। ‘উসমান ইবনি ‘আফ্ফান রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে ও অপরকে শিক্ষা দেয়।” [বুখারী][3]

4/1001 وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «اَلَّذِيْ يَقْرَأُ القُرْآنَ وَهُوَ مَاهِرٌ بِهِ مَعَ السَّفَرَةِ الكِرَامِ البَرَرَةِ، وَالَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيَتَتَعْتَعُ فِيهِ وَهُوَ عَلَيْهِ شَاقٌّ لَهُ أجْرَانِ». متفقٌ عَلَيْهِ

৪/১০০১। ‘হাদিসের রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “কুরআনের [শুদ্ধ ভাবে পাঠকারী ও পানির মত হিফযকারী পাকা] হাফেয মহা সম্মানিত পুণ্যবান লিপিকার [ফেরেশতাবর্গের] সঙ্গী হইবে। আর যে ব্যক্তি [পাকা হিফয না থাকার কারণে] কুরআন পাঠে ‘ওঁ-ওঁ’ করে এবং পড়তে কষ্টবোধ করে, তার জন্য রয়েছে দু’টি সওয়াব।” [একটি তেলাওয়াত ও দ্বিতীয়টি কষ্টের দরুন।] [বুখারী, মুসলিম ৭৯৮নং] [4]

5/1002 وَعَنْ أَبي مُوسَى الأَشعَرِيِّ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِيْ يَقْرَأُ القُرْآنَ مَثَلُ الأُتْرُجَّةِ: رِيحُهَا طَيِّبٌ وَطَعْمُهَا طَيِّبٌ، وَمَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِيْ لاَ يَقْرَأُ القُرْآنَ كَمَثَلِ التَّمْرَةِ: لارِيحَ لَهَا وَطَعْمُهَا حُلْوٌ، وَمَثلُ المُنَافِقِ الَّذِيْ يَقرَأُ القُرآنَ كَمَثلِ الرَّيحَانَةِ: ريحُهَا طَيِّبٌ وَطَعْمُهَا مُرٌّ، وَمَثَلُ المُنَافِقِ الَّذِيْ لاَ يَقْرَأُ القُرْآنَ كَمَثلِ الحَنْظَلَةِ: لَيْسَ لَهَا رِيحٌ وَطَعْمُهَا مُرٌّ». متفقٌ عَلَيْهِ

৫/১০০২। আবূ মুসা আশ‘আরী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “কুরআন পাঠকারী মুমিনের উদাহরণ হচ্ছে ঠিক উতরুজ্জা [কমলা লেবুর মত এক ধরণের ফল]; যার ঘ্রাণ উত্তম এবং স্বাদও উত্তম। আর যে মুমিন কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক খেজুরের মত; যার [উত্তম] ঘ্রাণ তো নেই, তবে স্বাদ মিষ্ট। [অন্যদিকে] কুরআন পাঠকারী মুনাফিকের দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধিময় [তুলসী] গাছের মত; যার ঘ্রাণ উত্তম, কিন্তু স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক মাকাল ফলের মত; যার [উত্তম] ঘ্রাণ নেই, স্বাদও তিক্ত।” [বুখারী, মুসলিম][5]

6/1003 وَعَنْ عُمَرَ بنِ الخَطَّابِ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ اللهَ يَرْفَعُ بِهَذَا الكِتَابِ أَقْوَاماً وَيَضَعُ بِهِ آخرِينَ». رواه مسلم

৬/১০০৩। উমার ইবনি খাত্তাব রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “মহান আল্লাহ এই গ্রন্থ [কুরআন মাজীদ] দ্বারা [তার উপর আমলকারী] জনগোষ্ঠীর উত্থান ঘটান এবং এরই দ্বারা [এর অবাধ্য] অন্য গোষ্ঠীর পতন সাধন করেন।” [মুসলিম] [6]

7/1004 وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ: رَجُلٌ آتَاهُ اللهُ القُرْآنَ، فَهُوَ يَقُومُ بِهِ آنَاء اللَّيْلِ وَآنَاءَ النَّهَارِ، وَرَجُلٌ آتَاهُ اللهُ مَالاً، فَهُوَ يُنْفِقُهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَآنَاءَ النَّهَارِ». متفقٌ عَلَيْهِ

৭/১০০৪। আব্দুল্লাহ ইবনি উমার রাঃআঃ কর্তৃক বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “দু’জনের ক্ষেত্রে ঈর্ষা করা সিদ্ধ। [১] যাকে আল্লাহ কুরআন [মুখস্থ করার শক্তি] দান করিয়াছেন, সুতরাং সে ওর [আলোকে] দিবা-রাত্রি পড়ে ও আমল করে। [২] যাকে আল্লাহ তা‘আলা ধন-সম্পদ দান করিয়াছেন এবং সে [আল্লাহর পথে] দিন-রাত ব্যয় করে।” [বুখারী, মুসলিম][7]

8/1005 وَعَنِ البَرَاءِ بنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كَانَ رَجُلٌ يَقْرَأُ سُورَةَ الْكَهْفِ، وَعِنْدَهُ فَرَسٌ مَرْبُوطٌ بِشَطَنَيْنِ، فَتَغَشَّتْهُ سَحَابَةٌ فَجَعَلَتْ تَدْنُوْ، وَجَعَلَ فَرَسُه يَنْفِرُ مِنْهَا، فَلَمَّا أصْبَحَ أتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم  فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ: «تِلْكَ السَّكِينَةُ تَنَزَّلَتْ لِلقُرْآنِ». متفقٌ عَلَيْهِ

৮/১০০৫। বারা’ ইবনি আযেব রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা একটি লোক সূরা কাহাফ পাঠ করছিল। তার পাশেই দুটো রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। ইতোমধ্যে লোকটিকে একটি মেঘে ঢেকে নিলো। মেঘটি লোকটির নিকটবর্তী হইতে থাকলে ঘোড়াটি তা দেখে চমকাতে আরম্ভ করিল। অতঃপর যখন সকাল হলো তখন লোকটি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-এর দরবারে হাজির হয়ে উক্ত ঘটনা বর্ণনা করিল। তা [শুনে] তিনি বলিলেন, “ওটি প্রশান্তি ছিল, যা তোমার কুরআন পড়ার দরুন অবতীর্ণ হয়েছে।” [বুখারী, মুসলিম] [8]

9/1006 وَعَنِ ابنِ مَسعُودٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَرَأ حَرْفاً مِنْ كِتَابِ اللهِ فَلَهُ حَسَنَةٌ، وَالحَسَنَةُ بِعَشْرِ أمْثَالِهَا، لاَ أَقُولُ: الـم حَرفٌ، وَلَكِنْ: ألِفٌ حَرْفٌ، وَلاَمٌ حَرْفٌ، وَمِيمٌ حَرْفٌ». رواه الترمذي، وقال: [[ حديث حسن صحيح ]]

৯/১০০৬। আব্দুল্লাহ ইবনি মাস‘ঊদ রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব [কুরআন মাজীদ]এর একটি বর্ণ পাঠ করিবে, তার একটি নেকী হইবে। আর একটি নেকী দশটি নেকীর সমান হয়। আমি বলছি না যে, ‘আলিফ-লাম-মীম’ একটি বর্ণ; বরং আলিফ একটি বর্ণ, লাম একটি বর্ণ এবং মীম একটি বর্ণ।” [অর্থাৎ তিনটি বর্ণ দ্বারা গঠিত ‘আলিফ-লাম-মীম, যার নেকীর সংখ্যা হইবে ত্রিশ।] [তিরমিযী, হাসান][9]

10/1007 وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَّضِيَ الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم :«إنَّ الَّذِيْ لَيْسَ فِيْ جَوْفِهِ شَيْءٌ مِنَ القُرآنِ كَالْبَيْتِِ الْخَرِبِ» رواه الترمذي وقال:  حديث حسن صحيح .

১০/১০০৭। আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন: কুরআনের কোনো অংশই যে ব্যক্তির পেটে নেই সে [সেই পেট বা উদর] বিরান ঘরের সমতুল্য। [তিরমিযি] দুর্বল।[10]

11/1008 وَعَنْ عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم  قَالَ: «يُقَالُ لِصَاحِبِ الْقُرْآنِ: اِقْرَأْ وَارْتَقِ وَرَتِّلْ كَمَا كُنْتَ تُرَتِّلُ فِي الدُّنْيَا، فَإِنَّ مَنْزِلَتَكَ عِنْدَ آخِرِ آيَةٍ تَقْرَؤُهَا». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: [[ حديث حسن صحيح ]] ১১/১০০৮। আব্দুল্লাহ ইবনি আমর ইবনি আস রাঃআঃ কর্তৃক বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “পবিত্র কুরআনের পাঠক, হাফেয ও তার উপর আমলকারীকে [কিয়ামতের দিন] বলা হইবে, ‘তুমি কুরআন করীম পড়তে থাক ও চড়তে থাক। আর ঠিক সেইভাবে স্পষ্ট ও ধীরে ধীরে পড়তে থাক, যেভাবে দুনিয়াতে পড়তে। কেননা, [জান্নাতের ভিতর] তোমার স্থান ঠিক সেখানে হইবে, যেখানে তোমার শেষ আয়াতটি খতম হইবে।” [আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান][11]


[1] মুসলিম ৮০৪, আহমাদ ২১৬৪২, ২১৬৫৩, ২১৬৮১, ২১৭১০

[2] মুসলিম ৮০৫, তিরমিযী ২৮৮৩, আহমাদ ১৭১৮৫

[3] সহীহুল বুখারী ৫০২৭, ৫০২৮, তিরমিযী ২৯০৭, ২৯০৮, আবূ দাউদ ১৪৫২, ইবনু মাজাহ ২১১, আহমাদ ৫০৭, ৪১৪, ৫০২, দারেমী ৩৩২৮

[4] সহীহুল বুখারী ৪৯৩৭, মুসলিম ৭৯৮, তিরমিযী ২৯০৪, আবূ দাউদ ১৪৫৪, ইবনু মাজাহ ৩৭৭৯, আহমাদ ২৩৬৯১, ২৪১১৩, ২৪১৪৬, ২৪২৬৭, দারেমী ৩৩৬৮

[5] সহীহুল বুখারী ৫০২০, ৫৪২৭, ৫০৫৯, ৭৫৬০, মুসলিম ৭৯৭, তিরমিযী ২৮৬৫, নাসায়ী ৫০৩৮, আবূ দাউদ ৪৮২৯, ইবনু মাজাহ ২১৪, আহমাদ ১৯০৫৫, ১৯১১৭, ১৯১৬৫, দারেমী ৩৩৬৩

[6] মুসলিম ৮১৭, ইবনু মাজাহ ২১৮, আহমাদ ২৩৩, দারেমী ৩৩৬৫

[7] সহীহুল বুখারী ৫০২৫, ৭৫২৯, মুসলিম ৮১৫, তিরমিযী ১৯৩৬, ইবনু মাজাহ ৪২০৯, আহমাদ ৪৫৩৬, ৪৯০৫, ৫৫৮৬, ৬১৩২, ৬৩৬৭

[8] সহীহুল বুখারী ৫০১১, ৩৬১৪, ৪৮৩৯, মুসলিম ৭৯৫, তিরমিযী ২৮৮৫, আহমাদ ১৮০০৬, ১৮০৩৮, ১৮১১৮, ১৮১৬৩

[9] তিরমিযী ২৯১০

[10] আমি (আলবানী) বলছিঃ অর্থাৎ যে কুরআনের কিছু অংশ হেফয না করবে। হাদীসটির দুর্বল হওয়ার ব্যাপারে আমি “আলমিশকাত” গ্রন্থে (নং ২১৩৫) আলোচনা করেছি। হাদীসটির সনদকে “মুসনাদু আহমাদ” এর তাহকীক্ব করতে গিয়ে শু‘য়াইব আলআরনাঊতও দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। এর সনদে কাবূস ইবনু আবী যিবইয়ান নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন তিনি দুর্বল। তিরমিযী ২৯১৩, আহমাদ ১৯৪৮, দারেমী ৩৩০৬, ইয়াহইয়া ইবন মুঈন একে দুর্বল বলেছেন।

[11] আবূ দাউদ ১৪৬৪, তিরমিযী ২৯১৪, আহমাদ ৬৭৬০

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply