ওজুর ফযীলত – রিয়াদুস সালেহীন হাদিস থেকে সংকলিত

ওজুর ফযীলত – রিয়াদুস সালেহীন হাদিস থেকে সংকলিত

ওজুর ফযীলত – রিয়াদুস সালেহীন হাদিস থেকে সংকলিত >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১৮৫: ওজুর ফযীলত

মহান আল্লাহ বলেন,

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى قَوْله تَعَالَى:  مَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيَجۡعَلَ عَلَيۡكُم مِّنۡ حَرَجٖ وَلَٰكِن يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمۡ وَلِيُتِمَّ نِعۡمَتَهُۥ عَلَيۡكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ ٦ ﴾ [المائ‍دة: ٦] 

অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা নামাযের জন্য প্রস্তুত হইবে, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর এবং তোমাদের মাথা মাসাহ কর এবং পা গ্রন্থি পর্যন্ত ধৌত কর। আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তাহলে বিশেষভাবে [গোসল করে] পবিত্র হও। যদি তোমরা পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা হইতে আগমন করে, অথবা তোমরা স্ত্রী-সহবাস কর এবং পানি না পাও, তাহলে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম কর; তা দিয়ে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় মাসাহ কর। আল্লাহ তোমাদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতে চান না, বরং তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করিতে চান ও তোমাদের প্রতি তাহাঁর অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিতে চান, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর।” [সূরা মায়েদাহ ৬ আয়াত] 

1/1031 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: «إِنَّ أُمَّتِي يُدْعَوْنَ يَوْمَ القِيَامَةِ غُرّاًً مُحَجَّلِينَ مِنْ آثَارِ الوُضُوءِ، فَمَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أنْ يُطِيلَ غُرَّتَهُ فَلْيَفْعَلْ». متفقٌ عَلَيْهِ

১/১০৩১। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূলল্লাহ সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, “নিশ্চয় আমার উম্মতকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় ডাকা হইবে, যে সময় তাহাদের ওজুর অঙ্গগুলো চমকাতে থাকিবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তার চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।” [অর্থাৎ সে যেন তার ওজুর সীমার অতিরিক্ত অংশও ধুয়ে ফেলে।] [বুখারী, মুসলিম][1]

2/1032 وَعَنْه، قَالَ: سَمِعْتُ خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: «تَبْلُغُ الحِلْيَةُ مِنَ المُؤمِنِ حَيْثُ يَبْلُغُ الوُضُوءُ». رواه مسلم

২/১০৩২। উক্ত রাবী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধু সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, “[পরকালে] মু’মিনের অলংকার তত-দূর হইবে, যতদূর তার ওজুর [পানি] পৌঁছবে।” [মুসলিম][2]

3/1033 وَعَنْ عُثمَانَ بنِ عَفَّانَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ِ «مَن تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الوُضُوءَ، خَرَجَتْ خَطَايَاهُ مِنْ جَسَدِهِ حَتَّى تَخْرُج مِنْ تَحْتِ أَظْفَارِه». رواه مسلم

৩/১০৩৩। ‘উসমান ইবনি ‘আফফান রাঃআঃ বলেন রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করিবে, তার পাপসমূহ তার দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে। এমনকি তার নখগুলোর নিচে থেকেও [পাপ] বেরিয়ে যাবে।” [মুসলিম] [3]

4/1034 وَعَنْه، قَالَ: رَأيتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأ هكَذَا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ، وَكَانَتْ صَلاَتُهُ وَمَشْيُهُ إِلَى المَسْجدِ نَافِلَةً». رواه مسلم

৪/১০৩৪। উক্ত রাবী হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাঃআঃ-কে আমার এই ওজুর মত ওযু করিতে দেখলাম। অতঃপর তিনি বলিলেন, “যে ব্যক্তি এরূপ ওযু করিবে, তার পূর্বকৃত পাপরাশি মাফ করা হইবে এবং তার নামায ও মসজিদের দিকে চলার সওয়াব অতিরিক্ত হইবে।” [মুসলিম] [4]

5/1035 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأ العَبْدُ المُسْلِمُ – أَو المُؤْمِنُ – فَغَسَلَ وَجْهَهُ، خَرَجَ مِنْ وَجْهِهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَيْنَيْهِ مَعَ المَاءِ، أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ المَاءِ، فَإذَا غَسَلَ يَدَيْهِ، خَرَجَ مِنْ يَدَيْهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ كَانَ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ المَاءِ، أَو مَعَ آخِرِ قَطْرِ المَاءِ، فَإذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ، خَرَجَتْ كُلُّ خَطِيئَةٍ مَشَتْهَا رِجْلاَهُ مَعَ المَاءِ، أَو مَعَ آخِرِ قَطْرِ المَاءِ، حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيَّاً مِنَ الذُّنُوبِ». رواه مسلم

৫/১০৩৫। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “মুসলিম কিংবা মুমিন বান্দা যখন ওযু করিবে এবং যখন সে নিজ মুখমণ্ডল ধৌত করিবে, তখন তার মুখমণ্ডল হইতে সেই গোনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যাবে, যে সব গোনাহ তার দু’টি চোখ দিয়ে দেখার ফলে সংঘটিত হয়েছিল। [অনুরূপভাবে] যখন সে নিজ হাত দু’টি ধোবে, তখন তা হইতে সে সব পাপ পানির সাথে বা পানির শেষ বিন্দুর সাথে নির্গত হয়ে যাবে, যে সব পাপ তার দুই হাত দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। আর যখন সে নিজ পা দু’টি ধৌত করিবে, তখন তার পা দু’টি হইতে সে সমস্ত পাপরাশি পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সঙ্গে বের হয়ে যাবে, যেগুলি তার দু’টি পায়ে চলার ফলে সংঘটিত হয়েছিল। শেষ অবধি সে [ক্ষুদ্র] পাপরাশি হইতে পাক-পবিত্র হয়ে  বেরিয়ে আসবে।” [মুসলিম] [5]

6/1036 وَعَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَتَى المَقبَرَةَ، فَقَالَ: «السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَومٍ مُؤْمِنِينَ، وَإنَّا إنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لاَحِقُونَ، وَدِدْتُ أنَّا قَدْ رَأَيْنَا إِخْوانَنَا»  قَالُوا: أَوَلَسْنَا إِخْوَانَكَ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ: «أنْتُمْ أَصْحَابِي، وَإِخْوَانُنَا الَّذِينَ لَمْ يَأتُوا بَعْدُ» قَالُوا: كَيْفَ تَعْرِفُ مَنْ لَمْ يَأتِ بَعْدُ مِنْ أُمَّتِكَ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ فَقَالَ: «أَرَأيْتَ لَوْ أنَّ رَجُلاً لَهُ خَيلٌ غُرٌّ مُحَجَّلَةٌ بَيْنَ ظَهْرَيْ خَيْلٍ دُهْمٍ بُهْمٍ، أَلاَ يَعْرِفُ خَيْلَهُ ؟» قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: «إِنَّهُمْ يَأتُونَ غُرّاً مُحَجَّلينَ مِنَ الوُضُوءِ، وَأنَا فَرَطُهُمْ عَلَى الحَوْضِ». رواه مسلم

৬/১০৩৬। উক্ত রাবী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ [একবার] কবরস্থানে এসে [কবর-বাসীদের সম্বোধন করে] বলিলেন, “হে [পরকালের] ঘরবাসী মুমিনগণ! তোমাদের উপর শান্তি বর্ষণ হোক। যদি আল্লাহ চান তো আমরাও তোমাদের সঙ্গে মিলিত হব। আমার বাসনা যে, যদি আমরা আমাদের ভাইদেরকে দেখিতে পেতাম।” সাহাবীগণ নিবেদন করিলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি আপনার ভাই নই?’ তিনি বলিলেন, “তোমরা তো আমার সহচরবৃন্দ। আমার ভাই তারা, যারা এখনো পর্যন্ত আগমন করেনি।” সাহাবীগণ বলিলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনার উম্মতের মধ্যে যারা এখনো পর্যন্ত আগমন করেনি, তাহাদেরকে আপনি কিভাবে চিনতে পারবেন?’ তিনি বলিলেন, “আচ্ছা বল, যদি খাঁটি কাল রঙের ঘোড়ার দলে, কোনো লোকের কপাল ও পা সাদা দাগবিশিষ্ট ঘোড়া থাকে, তাহলে কি সে তার ঘোড়া চিনতে পারবে না?” তাঁরা বলিলেন, ‘অবশ্যই পারবে, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বলিলেন, “তারা এই অবস্থায় [হাশরের মাঠে] আগমন করিবে যে, ওযু করার দরুন তাহাদের হাত-পা চমকাতে থাকিবে। আর আমি ‘হাওজে’-এ তাহাদের অগ্রগামী ব্যবস্থাপক হব।” [অর্থাৎ তাহাদের আগেই আমি সেখানে পৌঁছে যাব।] [মুসলিম] [6]

7/1037 وَعَنْه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَلاَ أَدُّلُكُمْ عَلَى مَا يَمْحُو اللهُ بِهِ الخَطَايَا، وَيَرْفَعُ بِهِ الدَّرَجَاتِ ؟»  قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: «إِسْبَاغُ الوُضُوءِ عَلَى المَكَارِهِ، وَكَثْرَةُ الخُطَا إِلَى المَسَاجِدِ، وَانْتِظَارُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الصَّلاَةِ ؛ فَذَلِكُمُ الرِّبَاطُ ؛ فَذَلِكُمُ الرِّبَاطُ». رواه مسلم

৭/১০৩৭। উক্ত রাবী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ [একদা সমবেত সহচরদের উদ্দেশ্যে] বলিলেন, “তোমাদেরকে এমন একটি কাজ বলব না কি, যার দ্বারা আল্লাহ গোনাহসমূহকে মোচন করে দেবেন এবং [জান্নাতে] তার দ্বারা মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন?” তাঁরা বলিলেন, ‘অবশ্যই, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বলিলেন, “[তা হচ্ছে] কষ্টকর অবস্থায় পরিপূর্ণরূপে ওযু করা, অধিক মাত্রায় মসজিদে গমন করা এবং এক অক্তের নামায আদায় করে পরবর্তী অক্তের নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। আর এ হল প্রতিরক্ষা বাহিনীর মত কাজ। এ হল প্রতিরক্ষা বাহিনীর মত কাজ।” [মুসলিম] [7] 

8/1038 وَعَنْ أَبي مالك الأشعري رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «الطُّهُورُ شَطْرُ الإيمَانِ». رواه مسلم

৮/১০৩৮। আবূ মালেক আশআরী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “[বাহ্যিক] পবিত্রতা অর্জন করা হল অর্ধেক ঈমান।” [মুসলিম] [8]

এ হাদিসটি ‘ধৈর্যের বিবরণ’ পরিচ্ছেদে সবিস্তারে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এ মর্মে ‘আমর ইবনি ‘আবাসাহ রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, হাদিস ‘আল্লাহর দয়ার আশা রাখার গুরুত্ব’ পরিচ্ছেদের শেষদিকে গত হয়েছে। হাদিসটি বড় গুরুত্বপূর্ণ, যাতে বহু কল্যাণময় কর্মের কথা পরিবেশিত হয়েছে।

9/1039 وَعَنْ عُمَرَ بنِ الخَطَّابِ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم  قَالَ: «مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ يَتَوَضَّأُ فَيُبْلِغُ أَوْ فَيُسْبِغُ ألوُضُوءَ، ثُمَّ يَقُوْلُ: أَشهَدُ أَنْ لاَ إلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ؛ إِلاَّ فُتِحَتْ لَهُ أَبْوَابُ الجَنَّةِ الثَّمَانِيَةُ يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ». رواه مسلم، وزاد الترمذي:  «اَللهم اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ، وَاجْعَلْنِي مِنَ المُتَطَهِّرِينَ»

৯/১০৩৯। উমার ইবনি খাত্তাব রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, “পরিপূর্ণরূপে ওযু করে যে ব্যক্তি এই দো‘আ বলবে, ‘আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহদাহু লা শারীকা লাহ, অ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু অরাসূলুহ।’ অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাহাঁর কোন অংশী নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাঃআঃ তাহাঁর দাস ও প্রেরিত দূত [রসূল]। তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হইবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা তাতে প্রবেশ করিবে।” [মুসলিম] [9]

ইমাম তিরমিযী [উক্ত দুআর শেষে] এ শব্দগুলি অতিরিক্ত বর্ণনা করিয়াছেন, «اَللهم اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ، وَاجْعَلْنِي مِنَ المُتَطَهِّرِينَ»

অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর। [তিরমিযী, সহীহ, তামামুল মিন্নাহ দ্রঃ]


[1] সহীহুল বুখারী ১৩৬, মুসলিম ২৪৬, ইবনু মাজাহ ৪৩০৬, আহমাদ ৮২০৮, ৮৫২৪, ৮৯৪২, ১০৩৯৯, মুওয়াত্তা মালিক ৬০

[2] মুসলিম ২৫০, নাসায়ী ১৪৯, আহমাদ ৭১২৬, ৮৬২৩

[3] সহীহুল বুখারী ২৪৫, আহমাদ ৪৭৪

[4] সহীহুল বুখারী ১৬০, ১৬৪, ১৯৩৪, ৬৪৩৩, মুসলিম ২২৯, ২২৬, ২২৭, ২৩১২, নাসায়ী ৮৪, ৮৫, ১৪৫, ১৪৬, ৮৫৬, আবূ দাউদ ১০৬, ১০৮, ১১০, ইবনু মাজাহ ২৮৫, আহমাদ ৪০২, ৪১৭, ৪২০, ৪৩১, ৪৩২, ৪৬১, ৪৭৪, ৪৮৫, ৪৯১, ৫০৫, ৫১৮, ৫২৮, ৫৫৪, মুওয়াত্তা মালিক ৬১, দারেমী ৬৯৩

[5] মুসলিম ২৪৪, তিরমিযী ২, আহমাদ ৭৯৬০, মুওয়াত্তা মালিক ৬৩, দারেমী ৭১৮

[6] সহীহুল বুখারী ২৩৬৭, মুসলিম ২৪৯, নাসায়ী ১৫০, আবূ দাউদ ৩২৩৭, ইবনু মাজাহ ৪৩০৬, আহমাদ ৭৯৩৩, ৮৬৬১, ৯০৩৭, ৯৫৪৭, ৯৬৯৩, মুওয়াত্তা মালিক ৬০

[7] মুসলিম ২৫১, তিরমিযী ৫১, নাসায়ী ১৪৩, আহমাদ ৭১৬৮, ৭৬৭২, ৭৯৩৫, ৭৯৬১, ৯৩৬১, মুওয়াত্তা মালিক ৩৮৬

[8] মুসলিম ২২৩, তিরমিযী ৩৫১৭, ইবনু মাজাহ ২৮০, আহমাদ ২২৩৯৫, ২২৪০১, দারেমী ৬৫৩

[9] মুসলিম ২৩৪, তিরমিযী ৫৫, নাসায়ী ১৪৮, ১৫১, আবূ দাউদ ১৬৯, ৯০৬, ইবনু মাজাহ ৪৭০, আহমাদ ১৬৯১২, ১৬৯৪২, ১৬৯৯৫

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply