নতুন লেখা

উসামা ইবনু যায়দ (রাদি.)-এর উল্লেখ।

উসামা ইবনু যায়দ (রাদি.)-এর উল্লেখ।

উসামা ইবনু যায়দ (রাদি.)-এর উল্লেখ। >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

৬২/১৮. অধ্যায়ঃ উসামা ইবনু যায়দ (রাদি.)-এর উল্লেখ।

৩৭৩২

আয়েশা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

মাখযুম গোত্রের এক নারীর চুরির ঘটনায় কুরাইশগণ চিন্তিত হয়ে পড়ল। তারা বলিলেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর প্রিয় পাত্র উসামা ইবনু যায়দ (রাদি.) ছাড়া কে আর তাহাঁর নিকট বলার সাহস করিবে?

(আঃপ্রঃ ৩৪৫৩, ইঃফাঃ ৩৪৬১)

৩৭৩৩

আয়েশা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, মাখযুম গোত্রের এক নারী চুরি করেছিল। তখন তারা বলিল, এ ব্যাপারে কে নাবী (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে কথা বলিতে পারবে? কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ-ই কথা বলার সাহস করিল না। উসামা (রাদি.) এ সম্পর্কে তাহাঁর সাথে আলোচনা করিলেন। তখন নাবী (সাঃআঃ) বলিলেন, বনী ইসরাইল তাদের গণ্যমান্য পরিবারের কেউ চুরি করলে তাকে ছেড়ে দিত। এবং দুর্বল কেউ চুরি করলে তারা তার হাত কেটে দিত। ফাতিমা (রাদি.) হলেও আমি তাহাঁর হাত কেটে ফেলতাম।

(আঃপ্রঃ ৩৪৫৪, ইঃফাঃ ৩৪৬২)

৩৭৩৪

আবদুল্লাহ ইবনু দিনার (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদি.) এক লোককে দেখিতে পেলেন যে, মাস্‌জিদের এক কোণে তার কাপড় টেনে নিচ্ছে, তিনি বলিলেন, দেখতো, লোকটি কে? সে যদি আমার নিকট থাকত! তখন একজন তাঁকে বলিল, হে আবু আবদুর রাহমান, আপনি কি তাকে চিনতে পেরেছেন। তিনি উসামা (রাদি.)-এর পুত্র মুহাম্মাদ। এ কথা শুনে ইবনু উমার (রাদি.) মাথা নীচু করে দুহাত দিয়ে মাটি আঁচড়াতে লাগলেন এবং বলিলেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) তাঁকে দেখলে নিশ্চয়ই আদর করিতেন।

(আঃপ্রঃ ৩৪৫৫, ইঃফাঃ ৩৪৬৩)

৩৭৩৫

উসামা ইবনু যায়দ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন, নাবী (সাঃআঃ) তাঁকে এবং হাসান (রাদি.)-কে এক সঙ্গে তুলে নিতেন এবং বলিতেন, হে আল্লাহ! তুমি এদেরকে ভালবাস। কেননা আমিও এদেরকে ভালবাসি।

(আঃপ্রঃ ৩৪৫৬ প্রথমাংশ, ইঃফাঃ ৩৪৬৪ প্রথমাংশ)

৩৭৩৬

মুআইয (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) উসামা (রাদি.)-এর আযাদকৃত গোলাম (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা সে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদি.)-এর সঙ্গে ছিল। তখন তার ভাই হাজ্জাজ ইবনু আয়মান প্রবেশ করিল, এবং সলাতে রুকু ও সাজদাহ পূর্ণভাবে আদায় করেনি। ইবনু উমার (রাদি.) তাকে বলিলেন, সলাত আবার আদায় কর।

(আঃপ্রঃ ৩৪৫৬, মধ্যমাংশ, ইঃফাঃ ৩৪৬৪ মধ্যমাংশ)

৩৭৩৭

মুআইয (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) উসামা (রাদি.)-এর আযাদকৃত গোলাম (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

যখন সে চলে গেল তখন ইবনু উমার (রাদি.) আমাকে জিজ্ঞেস করিলেন, এ ব্যক্তি কে? আমি বললাম, হাজ্জাজ ইবনু আয়মন ইবনু উম্মু আয়মান। ইবনু উমার (রাদি.) বলিলেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) যদি তাকে দেখিতেন তবে স্নেহ করিতেন। অতঃপর এ পরিবারের প্রতি আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর কত ভালবাসা ছিল তা বর্ণনা করিতে লাগলেন এবং উম্মু আয়মানের সন্তানদের কথাও বলিলেন। আবু আবদুল্লাহ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন আমার কোন কোন সাথী আরো বলেছেন যে উম্মু আয়মান (রাদি.) নাবী (সাঃআঃ)-কে শিশুকালে কোলে নিয়েছেন।

(আঃপ্রঃ ৩৪৫৬ শেষাংশ, ইঃফাঃ ৩৪৬৪ শেষাংশ)

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, শিঙং ও ঝাড়ফুঁক

চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, শিঙং ও ঝাড়ফুঁক চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, …

Leave a Reply

%d bloggers like this: