নীচের হাত অর্থে দান গ্রহণকারীকে বুঝানো হয়েছে

নীচের হাত অর্থে দান গ্রহণকারীকে বুঝানো হয়েছে

নীচের হাত অর্থে দান গ্রহণকারীকে বুঝানো হয়েছে  >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৩২. অধ্যায়ঃ নীচের হাতের চেয়ে উপরের হাত উত্তম। উপরের হাত অর্থে দানকারী এবং নীচের হাত অর্থে দান গ্রহণকারীকে বুঝানো হয়েছে

২২৭৫

আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মিম্বারে দাঁড়িয়ে নাসীহাত করিলেন। তিনি বলিলেন, উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। উপরের হাত হল দানকারী। আর নীচের হাত হলো দান গ্রহণকারী। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৫৪, ইসলামিক সেন্টার- ২২৫৪]

২২৭৬

হাকীম ইবনি হিযাম [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ স্বচ্ছলতা বজায় রেখে যে দান করা হয় সেটাই উত্তম দান। উপরের হাত [বা দাতা] নীচের হাতের [বা ভিক্ষাকারীর] চেয়ে উত্তম। আর যাদেরকে লালন পালন করো তাদেরকে দিয়ে অর্থাৎ নিজের নিকটাত্মীয়দের দিয়ে দান-খয়রাত শুরু কর। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৫৫, ইসলামিক সেন্টার- ২২৫৫]

২২৭৭

হাকীম ইবনি হিযাম [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] –এর কাছে আমাকে কিছু দেয়ার জন্য আবেদন করলাম। তিনি আমাকে দিলেন। আমি আবার আবেদন করলাম। তিনি আবারও দিলেন। আমি পুনরায় আবেদন করলে তিনি দিলেন এবং বললেনঃ ““এ সম্পদ টাটকা এবং মিষ্টি।”” সুতরাং যে ব্যক্তি না চেয়ে এবং দাতার স্বত:স্ফূর্ত অনুদান হিসেবে এ মাল লাভ করিল তাকে এর মধ্যে বারাকাত দেয়া হইবে। আর যে ব্যক্তি কাকুতি মিনতি করে নিজেকে হীন ও অপমানিত করে তা লাভ করিল তাকে এ মালের মধ্যে বারাকাত দেয়া হয় না। তার অবস্থানটা ঐ ব্যক্তির মত যে খায় অথচ তুষ্ট হয় না। আর উপরের হাত [বা দাতা] নীচের হাতের [গ্রহণকারীর] চেয়ে উত্তম। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৫৬, ইসলামিক সেন্টার- ২২৫৬]

২২৭৮

আবু উমামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ “হে আদম সন্তান! তোমার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত যে মালামাল রয়েছে তা খরচ করিতে থাক; এটা তোমার জন্য উত্তম। আর যদি তুমি তা দান না করে কুক্ষিগত করে রাখো তাহলে এটা তোমার জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে। তবে প্রয়োজন পরিমান রাখায় কোন দোষ নেই। এজন্য তোমাকে ভৎসনাও করা হইবে না। যাদের প্রতিপালনের দায়িত্ব তোমার উপর রয়েছে তাদেরকে দিয়েই দান শুরু কর। উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৫৭, ইসলামিক সেন্টার- ২২৫৭]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply