ঈমানের শাখা -প্রশাখার সংখ্যা, তাহাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বর্ণনা

ঈমানের শাখা -প্রশাখার সংখ্যা, তাহাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বর্ণনা

ঈমানের শাখা -প্রশাখার সংখ্যা, তাহাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বর্ণনা >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১২. অধ্যায়ঃ ঈমানের শাখা -প্রশাখার সংখ্যা, তাহাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন শাখার বর্ণনা, লজ্জা শরমের ফাযীলাত এবং তা ঈমানের অঙ্গ হওয়ার বর্ণনা

৫৮

আবু হুরাইরাহ [রাঃআ:] হইতে বর্ণিতঃ

নবি [সাঃআ:] বলেছেনঃ ঈমানের শাখা সত্তরটির চেয়েও বেশী, আর লজ্জা শরম ঈমানের একটি শাখা। [ই.ফা. ৫৯; ই.সে. ৬০]

হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫৯

আবু হুরাইরাহ [রাঃআ:] হইতে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ [সাঃআ:] বলেছেন, ঈমানের শাখা সত্তরটিরও কিছু বেশী। অথবা ষাটটির কিছু বেশী। এর সর্বোচ্চ শাখা হচ্ছে [আল্লাহ ব্যাতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই] এ কথা স্বীকার করা, আর এর সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি বিশেষ শাখা। [ই.ফা. ৬০; ই.সে. ৬১]

হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৬০

সালিমের পিতা আবদুল্লাহ [রাঃআ:] হইতে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছিলেন শুনতে পেয়ে রসুলুল্লাহ [সাঃআ:] বলিলেন, লজ্জা ঈমানের অংগ। [ই.ফা. ৬১; ই.সে. ৬২]

হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৬১

যুহরী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] থেকে উক্ত সুত্রে হইতে বর্ণিতঃ

তবে তাহাঁর বর্ণনায় আছে, নবি [সাঃআ:] জনৈক আনসারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে আনসারী তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে নাসীহাত করছিলেন। [ই.ফা. ৬২; ই.সে. ৬৩]

হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৬২

ইমরান ইবনি হুসায়ন [রাঃআ:] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি নবি [সাঃআ:] থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, লজ্জা-সম্ভ্রম কল্যাণকেই ডেকে আনে। বুশায়র ইবনি কাব বলেন, জ্ঞান বিজ্ঞানের পুস্তকে লিখা আছে যে, এর [লজ্জা] মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে এবং প্রশান্তি নেমে আসে। তাহাঁর কথা শুনে ইমরান বলেন, আমি তোমাকে রসুলুল্লাহ [সাঃআ:]-এর মুখ নিঃসৃত বাণীই বর্ণনা করছি। আর তুমি আমাকে বলছ, তোমাদের বইয়ের কথা। [ই.ফা. ৬৩; ই.সে. ৬৪]

হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৬৩

আবু কাতাদাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের এক দল ইমরান ইবনি হুসায়ন [রাঃআ:] এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। আমাদের মাঝে বুশায়র ইবনি কাবও ছিলেন। তখন ইমরান [রাঃআ:] আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা প্রসংগে বলিলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআ:] বলেছেন লজ্জার সবটাই মঙ্গলজনক। রাবী বলেন যে, কিংবা রসুলুল্লাহ [সাঃআ:] বলেছেনঃ লজ্জা সবটাই কল্যাণকর। বুশায়র ইবনি কাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, কোন কোন কিতাবে কিংবা হিকমাতের গ্রন্থে আমরা পেয়েছি যে, লজ্জা থেকেই আল্লাহর জন্য গাম্ভীর্য ও প্রশান্তির উৎপত্তি এবং তা থেকে দুর্বলতারও উৎপত্তি। রাবী বলেন, এ কথা শুনে ইমরান [রাঃআ:] রেগে গেলেন এমন কি তার দুই চোখ লাল হয়ে গেল। ইমরান [রাঃআ:] বলেন, সাবধান! আমি রসুলুল্লাহ [সাঃআ:]-এর হাদীস বলছি আর তার মুকাবিলায় তুমি পুঁথির কথা বলছ। এরপর ইমরান [রাঃআ:] পুনরুক্তি করিলেন। আর বুশায়রও তার কথার পুনরাবৃত্তি করিলেন। এতে ইমরান [রাঃআ:] খুবই রেগে গেলেন। রাবী বলেন যে, আমরা বলিতে লাগলাম, হে আবু নুজায়দ [ইমরানের উপনাম] সে আমাদেরই লোক। তার মধ্যে ত্রুটি নেই।

ইসহাক ইবনি ইবরাহীম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ….. ইমরান ইবনি হুসায়ন [রাঃআ:] সুত্রে নবি [সাঃআ:] থেকে হাম্মাদ ইবনি যায়দের মত হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। [ই.ফা. ৬৪, ৬৫; ই.সে. ৬৫-৬৬]

হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply