ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা

ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা

ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৬. অধ্যায়ঃ ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা

৪৩২৯

আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর নিকট একজন ইয়াহূদী পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী মহিলাকে আনা হল, যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। তখন রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কাছে গেলেন এবং তাদেরকে লক্ষ্য করে বলিলেন, তোমরা তাওরাতে ব্যভিচারী ব্যক্তির শাস্তি কী পেয়েছ? তারা বলিল, এতে আমরা উভয়ের মুখমণ্ডলে কালি লাগিয়ে দেই এবং উভয়কে বিপরীতমুখী করে উটের উপর উঠিয়ে পরিভ্রমণ করাই। [এ হল তাওরাত বর্ণিত শাস্তি] রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলিলেন, তাহলে তোমরা তাওরাত কিতাব নিয়ে এসো, যদি তোমরা এ ব্যাপারে সত্যবাদী হয়ে থাক। তারা তখন তাওরাত কিতাব নিয়ে এলো এবং পাঠ করিতে শুরু করিল। যখন [আরবী] [ব্যভিচারের শাস্তি]-এর আয়াত নিকটবর্তী হল তখন যে যুবকটি তাওরাত পাঠ করছিল সে আপন হাত [আরবী] [পাথর নিক্ষেপের আয়াত]-এর উপর রেখে দিল এবং রক্ষিত হাতের আগের-পেছনের অংশ পাঠ করলো। তখন আবদুল্লাহ ইবনি সালাম [রাদি.] {২৭}, [তিনি রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর সঙ্গে ছিলেন] তাঁকে লক্ষ্য করে বলিলেন, আপনি তাকে নির্দেশ করুন- যেন সে আপন হাত উঠিয়ে ফেলে। সে তার হাত উঠিয়ে নিল। হঠাৎ দেখা গেল যে, এর নিচেই [আরবী] [পাথর নিক্ষেপের আয়াত] রয়েছে। সুতরাং রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] উভয়কে পাথর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। সুতরাং উভয়কে পাথর মারা হল।

আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] বলেন যে, যারা উভয়কে পাথর মেরেছিল, আমিও তাদের মধ্যে একজন ছিলাম। আমি দেখিতে পেলাম যে, পুরুষটি মহিলাটিকে পাথরের আঘাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে। [অর্থাৎ- ভালবাসার আকর্ষণে নিজেই তার পাথরের আঘাত গ্রহণ করছে]। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৮৮, ইসলামিক সেন্টার-৪২৮৯]

{২৭} তাওরাতের হাফিয ও বিখ্যাত ইয়াহূদী আলিম ছিলেন।

৪৩৩০

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] দুজন ইয়াহূদীকে ব্যভিচারের অপরাধে রজম [পাথর নিক্ষেপ] করেন। তন্মধ্যে একজন ছিল পুরুষ এবং অপরজন মহিলা, যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। ইয়াহূদীরা উভয়কে রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর নিকট নিয়ে এসেছিল। এরপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৮৯, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯০]

৪৩৩১

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

ইয়াহূদীরা তাদের ব্যভিচারী একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর কাছে নিয়ে এলো। অতঃপর তিনি উবাইদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] কর্তৃক নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিত হাদীসের ন্যায় হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯০, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯১]

৪৩৩২

বারা ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর সম্মুখ দিয়ে একজন ইয়াহূদীকে কালি মাখা এবং বেত্রাঘাতকৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, তোমরা কি তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারের শাস্তি এরূপই পেয়েছ? তারা বলিল, হ্যাঁ।

এরপর তিনি তাদের মধ্য হইতে একজন আলিম [পাদরী] ব্যক্তিকে ডাকলেন এবং বলিলেন, তোমাকে সে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, যিনি মূসা [আঃ]-এর প্রতি তাওরাত কিতাব অবতীর্ণ করেছিলেন, এরূপই কি তোমরা তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারীর শাস্তি পেয়েছ? তখন ইয়াহূদী আলিম ব্যক্তি বলিলেন, না। তিনি আরো বলিলেন, আপনি যদি আমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে এভাবে না বলিতেন তবে আমি আপনাকে জানাতাম না যে, এর প্রকৃত শাস্তি রজম [পাথর নিক্ষেপ করা]। কিন্তু আমাদের সমাজের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে এর ব্যাপক প্রচলন হয়ে গেছে। অতএব, আমরা যখন এতে কোন সম্ভ্রান্ত লোককে পেতাম, তখন তাকে ছেড়ে দিতাম এবং যখন কোন নিঃস্ব ব্যক্তিকে পাকড়াও করতাম তখন তার উপর শারীআতের প্রকৃত শাস্তি [আরবী] বাস্তবায়িত করতাম। পরিশেষে আমরা বললাম, তোমরা সকলেই এসো, আমরা সবাই মিলে এ ব্যাপারে একটি শাস্তি নির্ধারিত করে নেই, যা ভদ্র ও অভদ্র সকলের উপরই প্রযোজ্য হইবে। সুতরাং আমরা ব্যভিচারের শাস্তি কালি লাগানো এবং বেত্রাঘাত করাকেই স্থির করে নিলাম, পাথর নিক্ষেপের পরিবর্তে। তখন রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলিলেন, হে আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যক্তি, যে তোমার নির্দেশ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَوَّلُ مَنْ أَحْيَا أَمْرَكَ إِذْ أَمَاتُوهُ

বাস্তবায়িত [পুনর্জীবিত] করলাম, যা তারা বাতিল করে ফেলেছিল। সুতরাং তিনি তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিলেন। অবশেষে ঐ ইয়াহূদীকে পাথর মারা হল। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াতঃ

يَا أَيُّهَا الرَّسُولُ لاَ يَحْزُنْكَ الَّذِينَ يُسَارِعُونَ فِي الْكُفْرِ

“হে রসূল! যারা কুফরী কাজে দ্রুতগামী তাদের কার্যকলাপ যেন আপনাকে চিন্তিত না করে। ….. অতঃপর সেই বাণী পর্যন্ত যদি তোমরা তা প্রদত্ত হও, তবে তা ধারণ কর”-[সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪১] পর্যন্ত অবতীর্ণ করেন। তারা [ইয়াহূদীরা] বলতো যে, তোমরা মুহাম্মাদ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর নিকট গমন করো, যদি তিনি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে- কালি লাগানো এবং বেত্রাঘাতের নির্দেশ প্রদান করেন, তবে তোমরা তা কার্যকর করিবে; আর যদি তিনি রজমের নির্দেশ দেন তবে তা প্রত্যাখ্যান করিবে। আল্লাহ তাআলা [এ মর্মে] আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত মুতাবিক বিচারকার্য পরিচালনা করে না তারাই হলো কাফির [অস্বীকারকারী] সম্প্রদায়”- [সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৪]। “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুসারে বিচার করে না তারাই হলো অত্যাচারী দল”- [সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৫]। “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুযায়ী বিচার করে না তারাই হলো সীমালঙ্ঘনকারী দল”- [সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৭]। এ সবগুলো আয়াত কাফিরদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯১, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯২] আর-বী.

৪৩৩৩

আমাশ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

একই সূত্রে [আরবী] “তখন নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-এর [রজম করার] নির্দেশ করিলেন, এরপর [ঐ ইয়াহূদীকে] পাথর মারা হল” পর্যন্ত অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু এরপরে বর্ণিত আয়াতসমূহ তিনি উল্লেখ করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯২, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৩]

৪৩৩৪

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] আসলাম গোত্রের একজন পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী পুরুষ ও মহিলার প্রতি [ব্যভিচারের জন্য] পাথর নিক্ষেপ করার শাস্তি বলবৎ করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৩, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৪]

৪৩৩৫

ইবনি জুরায়জ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি “এবং একজন মহিলা” এ শব্দটি উল্লেখ করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৪, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৫]

৪৩৩৬

আবু ইস্‌হাক শাইবানী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনি আবু আওফা [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কি [ব্যভিচারের জন্য] পাথর মেরেছেন? তিনি বলিলেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, সূরা নূর অবতীর্ণ হওয়ার আগে, না পরে? তখন তিনি বলিলেন, আমি তা জানি না। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৫, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৬]

৪৩৩৭

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]- কে বলিতে শুনেছি, যদি তোমাদের কোন দাসী ব্যভিচার করে এবং তার ব্যাভিচার কার্য প্রকাশিত হয়ে পড়ে তবে তাকে শারীআত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি [আরবী] অনুযায়ী বেত্রাঘাত করিবে এবং তাকে কোন প্রকার তিরস্কার করিবে না। এরপর যদি দ্বিতীয়বার সে ব্যভিচার করে, তবে তাকে শারীআত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি বেত্রাঘাত করিবে এবং তাকে কোন প্রকার ধমকি দিবে না। এরপর যদি তৃতীয়বার ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার কার্য প্রকাশ পায় তবে তাকে বিক্রি করে দেবে, চুলের দড়ি পরিমাণ মূল্যে হলেও। [ অর্থাৎ- অতি কম মূল্য হলেও।] [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৬, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৭]

৪৩৩৮

আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.]- এর বরাতে নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] হইতে বর্ণীতঃ

আবু হুরায়রা্ [রাদি.]- এর বরাতে নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] থেকে দাসীর বেত্রাঘাত সম্পর্কে, “যখন সে তিনবার ব্যভিচার করে, এরপর চতুর্থবারে তাকে বিক্রি করে দেবে”। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৭, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৮]

৪৩৩৯

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]- কে জিজ্ঞেস করা হলো- যখন কোন অবিবাহিত দাসী ব্যভিচার করে এর হুকুম সম্পর্কে। তখন তিনি বলিলেন, যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করিবে। আবার যদি সে ব্যভিচার করে তবে আবারও বেত্রাঘাত করিবে। এরপরও যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করিবে এবং পরিশেষে তাকে বিক্রি করে দেবে, একটি দড়ির মূল্য পরিমাণ মূল্যে হলেও।

ইবনি শিহাব [সন্দেহসূচক] বর্ণনা করিয়াছেন যে, আমি জানি না [আরবী] [বিক্রি করার নির্দেশটি কি তৃতীয় বারের পরে, না চতুর্থ বারের পরে]।

কানবী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] তার বর্ণনায় বলেন যে, ইবনি শিহাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] [আরবী] শব্দের অর্থ [আরবী] [দড়ি] বলেছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৮, ইসলামিক সেন্টার-৪২৯৯]

৪৩৪০

আবু হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনি খালিদ জুহানী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলেন, …… এ হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবনি মাসলামাহ্ এবং ইয়াহইয়া বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। আর তিনি [ইবনি ওয়াহ্ব] ইবনি শিহাবের কথা [আরবী] এর অর্থ [আরবী] [দড়ি] এ কথাটি উল্লেখ করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪২৯৯, ইসলামিক সেন্টার-৪৩০০]

৪৩৪১

আবু হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনি খলিদ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

সালিহ এবং মামার তারা উভয়ে মালিকের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। আর তারা তাদের হাদীসে দাসী বিক্রি সম্পর্কে [আরবী] [তৃতীয়বারে অথবা চতুর্থবারে] এ কথা সন্দেহসূচক বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৩০০, ইসলামিক সেন্টার-৪৩০১]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply