ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ। পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা

ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ। পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা

ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ। পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা  >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৭. অধ্যায়ঃ ইস্তিঞ্জার বিবরণ
১৮. অধ্যায়ঃ ডান হাত দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ
১৯. অধ্যায়ঃ ওযু-গোসল এবং অন্যান্য কাজে ডান দিক থেকে শুরু করা
২০. অধ্যায়ঃ রাস্তায় বা [গাছের] ছায়ায় প্রস্রাব পায়খানা করা নিষেধ
২১. অধ্যায়ঃ পায়খানার পর পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা

১৬. অধ্যায়ঃ মানবীয় ফিতরা -এর [স্বভাবের] বিবরণ

৪৮৫. আবু হুরাইরাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী[সাঃআঃ] বলেছেনঃ ফিতরা [স্বভাব] পাঁচটি অথবা বলেছেন, পাঁচটি কাজ হলো ফিতরা -এর অন্তর্ভুক্ত- খাতনা করা, ক্ষুর দ্বারা নাভীর নিচের লোম পরিষ্কার করা, নখ কাটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং গোঁফ কাটা।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭, ইসলামিক সেন্টার- ৫০৩]

৪৮৬. আবু হুরাইরাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ[সাঃআঃ] বলেছেনঃ পাঁচটি কাজ ফিতরা বা [সুষ্ঠু স্বভাব] খাতনা করা, নাভীর নিচের লোম পরিষ্কার করে ফেলা, গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা এবং বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯, ইসলামিক সেন্টার- ৫০৫]

৪৮৭. আনাস ইব্‌নু মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা এবং বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নীচের লোম ছেঁচে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছিল যে আমরা তা চল্লিশ দিনের অধিক দেরি না করি।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯০, ইসলামিক সেন্টার- ৫০৬]

৪৮৮. আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেনঃ তোমরা গোঁফ কেটে ফেল [অর্থাৎ ঠোটের ওপর থেকে কেটে দেয়া] এবং দাড়ি ছেড়ে দাও অর্থাৎ বড় হইতে দাও।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১, ইসলামিক সেন্টার- ৫০৭]

৪৮৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] গোঁফ ছোট করিতে এবং দাড়ি বড় করে রাখতে আদেশ করিয়াছেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯২, ইসলামিক সেন্টার- ৫০৮]

৪৯০. ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধাচরণ কর-মোচ কেটে ফেল এবং দাড়ি লম্বা কর।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩, ইসলামিক সেন্টার- ৫০৯]

৪৯১. আবু হুরাইরাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ[সাঃআঃ] বলেন, তোমরা মোচ কেটে ফেলে এবং দাড়ি লম্বা করে অগ্নি পূজকদের বিরুদ্ধাচরণ কর।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪, ইসলামিক সেন্টার- ৫১০]

৪৯২. আয়িশাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, দশটি কাজ ফিতরাতের অন্তর্ভুক্তঃ মোচ খাটো করা, দাড়ি লম্বা করা, মিসওয়াক করা, নাকে পানি দিয়ে ঝাড়া, নখ কাটা এবং আঙ্গুলের গিরাসমূহ ধোয়া, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নাভীর নীচের পশম মুন্ডন করা এবং পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা। যাকারিয়্যা বলেন, হাদীসের রাবী মুসআব বলেন, দশমটির কথা আমি ভুলে গিয়েছি। সম্ভবতঃ সেটি হইবে কুলি করা। এ হাদীসের বর্ণনায় কুতাইবাহ আরো একটি বাক্য বাড়াল যে, ওয়াকী বলেন, [আরবী] অর্থাৎ ইস্তিঞ্জা করা।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫, ইসলামিক সেন্টার- ৫১১]

৪৯৩. আবু কুরায়ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

একই সানাদে মুসআব ইবনি শাইবাহ্‌[রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর পুর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। তবে তার বর্ণনায় এ কথাও আছে যে, তাহাঁর পিতা বলেছেনঃ আমি দশম বস্তুটি ভুলে গেছি।

[ই.ফা.৪৯৬, ইসলামিক সেন্টার- ৫১২]

১৭. অধ্যায়ঃ ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ

৪৯৪. সালমান [রাযি:] হইতে বর্ণীতঃ

একদা তাঁকে বলা হল, তোমাদের নবী[সাঃআঃ] তোমাদেরকে সকল কাজই শিক্ষা দেন; এমনকি প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ম-কানুনও! তিনি বলিলেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে নিষেধ করিয়াছেন পায়খানা ও প্রস্রাবের সময় কিবলামুখী হয়ে বসতে, ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য করিতে, তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে এবং গোবর ও হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৩]

৪৯৫. সালমান [রাযি:] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুশরিকরা একবার আমাকে বলিল, আমরা দেখছি তোমাদের সঙ্গী {রসূল [সাঃআঃ]} তোমাদেরকে সব কাজই শিক্ষা দেয়; এমনকি প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ম নীতিও তোমাদেরকে শিক্ষা দেয়! [জবাবে] তিনি বলিলেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে নিষেধ করিয়াছেন ডান হাতে শৌচ কাজ করিতে, [ইস্তিঞ্জার সময়] কিবলামুখী হয়ে বসতে এবং তিনি আমাদেরকে আরো নিষেধ করিয়াছেন গোবর অথবা হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে। তিনি বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা না করে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৪]

৪৯৬. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] হাড় অথবা গোবর ঢিলা হিসেবে ব্যবহার করিতে নিষেধ করিয়াছেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৫]

৪৯৭. আবু আইয়ুব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা প্রস্রাব বা পায়খানায় গেলে ক্বিবলার দিকে মুখ করে কিংবা কিবলাহ্‌ পেছনে রেখে বসো না বরং পূর্ব কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ করে বস। আবু আইয়ূব বলেছেন, এক সময় আমরা শাম দেশে [সিরিয়ায়] গেলে দেখলাম, তাদের পায়খানাগুলো ক্বিবলামুখী করে নির্মিত। কাজেই আমরা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ্‌র কাছে ইসতিগফার করতাম। জবাবে সুফ্‌ইয়ান বলিলেন, হ্যাঁ [আমি তার নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছি]।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০, ইসলামিক সেন্টার-৫১৬]

৪৯৮. আবু হুরাইরাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা করিতে বসলে কখনো যেন সে ক্বিবলার দিকে মুখ করে সেদিকে পিছন দিয়েও না বসে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৭]

৪৯৯. ওয়াসি ইবনি হাব্বান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা মাসজিদে নামাজ আদায় রত ছিলাম। আর আব্‌দুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] তখন কিবলার দিকে পিছন করে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। অতঃপর আমি নামাজ শেষ করে তাহাঁর দিকে ঘুরে বসলাম। তখন আব্‌দুল্লাহ [রাদি.] বলিলেন, কিছু লোকে বলে, “তুমি যখন বসবে তখন কিবলার দিকে মুখ করে বসো না এবং বাইতুল মুকাদ্দাস-এর দিকেও না”। অথচ একবার আমি একটি ঘরের ছাদের উপর উঠে রাসুলুল্লাহ আলাইহি ওয়সাল্লাম-কে দুটি ইটের উপর বসা অবস্থায় দেখলাম। তিনি তখন ইস্তিঞ্জার জন্যে বাইতুল মুকাদ্দাস-এর দিকে মুখ করে বসেছিলেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৮]

৫০০. ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা আমার বোন হাফ্‌সার ঘরের ছাদে উঠলাম। তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে ইস্তিঞ্জায় বসা অবস্থায় দেখিতে পেলাম। তিনি শাম [সিরিয়ার] এর দিকে মুখ করে এবং কিবলার দিকে পিঠ করে বসেছিলেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩, ইসলামিক সেন্টার-৫১৯]

১৮. অধ্যায়ঃ ডান হাত দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ

৫০১. আবু কাতাদাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি তাহাঁর পিতা হইতে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ[সাঃআঃ] বলেন, তোমাদের কেউ যেন প্রস্রাব করার সময় তার পুরুষাঙ্গ ডান হাত দিয়ে না ধরে এবং পায়খানার পর ডান হাত দিয়ে যেন ইস্তিঞ্জা [ঢিলা ব্যবহার] না করে এবং [পানি পান করার সময়] পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ফেলে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪, ইসলামিক সেন্টার- ৫২০]

৫০২. আবু কাতাদাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তোমাদের কেউ যখন পায়খানায় [শৌচাগারে] যায় তখন সে যেন ডান হাত দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ না করে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫, ইসলামিক সেন্টার- ৫২১]

৫০৩. আবু কাতাদাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ[সাঃআঃ] পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলতে, ডান হাত দিয়ে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করিতে এবং ডান হাত দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে নিষেধ করিয়াছেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬, ইসলামিক সেন্টার-৫২২]

১৯. অধ্যায়ঃ ওযু-গোসল এবং অন্যান্য কাজে ডান দিক থেকে শুরু করা

৫০৪. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] ওযূ গোসলের পবিত্রতা অর্জন করিতে, চুল আঁচড়ানোর সময় এবং জুতা পরার সময় ডান দিক থেকে শুরু করিতে ভালবাসতেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭, ইসলামিক সেন্টার- ৫২৩]

৫০৫. আয়িশাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ[সাঃআঃ] তাহাঁর সব কাজেই-জুতা পরায়, চুল আঁচড়ানোতে এবং পবিত্রতা অর্জনে ডান দিক থেকে শুরু করিতে ভালবাসতেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮, ইসলামিক সেন্টার-৫২৪]

২০. অধ্যায়ঃ রাস্তায় বা [গাছের] ছায়ায় প্রস্রাব পায়খানা করা নিষেধ

৫০৬. আবু হুরাইরাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তোমরা লানাতকারীর দুটি কাজ থেকে দূরে থাকো। সহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করিলেন, লানাতের সে কাজ দুটি কি, ইয়া রসূলাল্লাহ! তিনি বলিলেন, মানুষের [যাতায়াতের] চলাফেরার রাস্তায় অথবা তাদের [বিশ্রাম নেয়ার] ছায়ায় প্রস্রাব পায়খানা করা।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯, ইসলামিক সেন্টার- ৫২৫]

২১. অধ্যায়ঃ পায়খানার পর পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা

৫০৭. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] একটি বাগানে ঢুকলেন। একটি বদনাসহ একজন বালক তাহাঁর পিছনে পিছনে গেল। সে ছিল আমাদের সকলের চেয়ে বয়ঃকনিষ্ঠ। সে বদনটি একটি কুল গাছের কাছে রেখে দিল। অতঃপর রাসুলুল্লাহ[সাঃআঃ] তাহাঁর প্রয়োজন শেষ করে আমাদের কাছে এলেন। তিনি পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা [শৌচকার্য] করেছিলেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০, ইসলামিক সেন্টার- ৫২৬]

৫০৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] যখন শৌচাগারে ঢুকতেন তখন আমি এবং আমার মতই একটি বালক পানির লোটা ও একখানা ছোট বর্শা বয়ে নিয়ে যেতাম। অতঃপর তিনি পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১, ইসলামিক সেন্টার- ৫২৭]

৫০৯. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] যখন নির্জনে দূরবর্তী ময়দানে ইস্তিঞ্জার জন্যে যেতেন তখন আমি তাহাঁর কাছে পানি নিয়ে যেতাম। তিনি তা নিয়ে ইস্তিঞ্জা [শৌচকাজ] করিতেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২, ইসলামিক সেন্টার-৫২৮]

By ইমাম মুসলিম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply