ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ

ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ

ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ  >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৭. অধ্যায়ঃ ইস্তিঞ্জা এর বিবরণ

৪৯৪

সালমান [রাযি:] হইতে বর্ণীতঃ

একদা তাঁকে বলা হল, তোমাদের নবী[সাঃআঃ] তোমাদেরকে সকল কাজই শিক্ষা দেন; এমনকি প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ম-কানুনও! তিনি বলিলেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে নিষেধ করিয়াছেন পায়খানা ও প্রস্রাবের সময় কিবলামুখী হয়ে বসতে, ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য করিতে, তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে এবং গোবর ও হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৩]

৪৯৫

সালমান [রাযি:] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুশরিকরা একবার আমাকে বলিল, আমরা দেখছি তোমাদের সঙ্গী {রসূল [সাঃআঃ]} তোমাদেরকে সব কাজই শিক্ষা দেয়; এমনকি প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ম নীতিও তোমাদেরকে শিক্ষা দেয়! [জবাবে] তিনি বলিলেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে নিষেধ করিয়াছেন ডান হাতে শৌচ কাজ করিতে, [ইস্তিঞ্জার সময়] কিবলামুখী হয়ে বসতে এবং তিনি আমাদেরকে আরো নিষেধ করিয়াছেন গোবর অথবা হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করিতে। তিনি বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা না করে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৪]

৪৯৬

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] হাড় অথবা গোবর ঢিলা হিসেবে ব্যবহার করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৫]

৪৯৭

আবু আইয়ুব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা প্রস্রাব বা পায়খানায় গেলে ক্বিবলার দিকে মুখ করে কিংবা কিবলাহ্‌ পেছনে রেখে বসো না বরং পূর্ব কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ করে বস। আবু আইয়ূব বলেছেন, এক সময় আমরা শাম দেশে [সিরিয়ায়] গেলে দেখলাম, তাদের পায়খানাগুলো ক্বিবলামুখী করে নির্মিত। কাজেই আমরা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ্‌র কাছে ইসতিগফার করতাম। জবাবে সুফ্‌ইয়ান বলিলেন, হ্যাঁ [আমি তার নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছি]। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০, ইসলামিক সেন্টার-৫১৬]

৪৯৮

আবু হুরাইরাহ্[রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা করিতে বসলে কখনো যেন সে ক্বিবলার দিকে মুখ করে সেদিকে পিছন দিয়েও না বসে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৭]

৪৯৯

ওয়াসি ইবনি হাব্বান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা মাসজিদে নামাজ আদায় রত ছিলাম। আর আব্‌দুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] তখন কিবলার দিকে পিছন করে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। অতঃপর আমি নামাজ শেষ করে তাহাঁর দিকে ঘুরে বসলাম। তখন আব্‌দুল্লাহ [রাদি.] বলিলেন, কিছু লোকে বলে, “তুমি যখন বসবে তখন কিবলার দিকে মুখ করে বসো না এবং বাইতুল মুকাদ্দাস-এর দিকেও না”। অথচ একবার আমি একটি ঘরের ছাদের উপর উঠে রাসুলুল্লাহ আলাইহি ওয়সাল্লাম-কে দুটি ইটের উপর বসা অবস্থায় দেখলাম। তিনি তখন ইস্তিঞ্জার জন্যে বাইতুল মুকাদ্দাস-এর দিকে মুখ করে বসেছিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২, ইসলামিক সেন্টার- ৫১৮]

৫০০

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা আমার বোন হাফ্‌সার ঘরের ছাদে উঠলাম। তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে ইস্তিঞ্জায় বসা অবস্থায় দেখিতে পেলাম। তিনি শাম [সিরিয়ার] এর দিকে মুখ করে এবং কিবলার দিকে পিঠ করে বসেছিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩, ইসলামিক সেন্টার-৫১৯]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply