ইশার নামাজের কিরাআত

ইশার নামাজের কিরাআত

ইশার নামাজের কিরাআত >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৩৬. অধ্যায়ঃ ইশার নামাজের কিরাআত

৯২৪

বারা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] কোন এক সফরে থাকাকালীন ইশার নামাজ আদায় করিলেন এবং প্রথম দুরাকআতের এক রাকআতে “ওয়াত্‌তীনি ওয়ায্‌ যাইতূন”” [সুরা আত্‌ তীন] পাঠ করিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯১৯,ইসলামিক সেন্টার- ৯৩১]

৯২৫

বারা ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর সাথে ইশার নামাজ আদায় করলাম। তিনি তাতে সুরা আত্‌ তীন পাঠ করিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯২০, ইসলামিক সেন্টার- ৯৩২]

৯২৬

বারা ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী [সাঃআঃ] -কে ইশার সলাতে সুরা আত্‌ তীন পাঠ করিতে শুনেছি। আমি তাহাঁর মতো সুললিত কন্ঠস্বর আর কারো কাছে শুনিনি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯২১, ইসলামিক সেন্টার- ৯৩৩]

৯২৭

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুআয [রাদি.] নবী [সাঃআঃ] -এর সাথে নামাজ আদায় করিতেন, অতঃপর নিজের সম্প্রদায়ে ফিরে এসে তাদের সলাতে ঈমামতি করিতেন। এক রাতে তিনি নবী [সাঃআঃ] -এর সাথে ইশার নামাজ আদায় করিলেন, অতঃপর নিজের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে এসে তাদের সলাতে ঈমাম হলেন। তিনি সুরা আল বাকারাহ্‌ পড়া শুরু করিলেন। এক ব্যক্তি এতে বিরক্ত হয়ে পড়ল। সে সালাম ফিরিয়ে একাকি নামাজ আদায় করে চলে গেল। লোকেরা তাকে বলিল, হে অমুক! তুমি কি মুনাফিক হয়ে গেছ? সে বলিল, আল্লাহর শপথ! আমি মুনাফিক হয়ে যাইনি। আমি অবশ্যই রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর কাছে যাব এবং তাঁকে এ সম্পর্কে অবহিত করব। সে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর নিকট এসে বলিল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা উট চালক, দিনের বেলায় কঠোর পরিশ্রম করি। আর মুআয [রাদি.] আপনার সাথে ইশার নামাজ আদায় করে ফিরে এসে আমাদের ঈমামতি করিলেন এবং সলাতে সুরা আল বাকারাহ্‌ পড়া শুরু করে দিলেন। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুআয-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলিলেন, হে মুআয! তুমি কি ফিত্‌নাহ্‌ সৃষ্টিকারী! তুমি এ রকম এ রকম সুরা পাঠ করিবে।

সুফ্‌ইয়ান বলেন, আমি আম্‌রকে বললাম, আবু যুবায়র জাবির-এর সূত্রে আমাদের বলেছেন যে, তিনি {নবী [সাঃআঃ] } বলেছেন, “তুমি সুরা আশ্‌ শামস্‌ সুরা আয্‌ যুহা সুরা আল লায়ল এবং সুরা আল আলা পাঠ করিবে। আম্‌র বলিলেন, হ্যাঁ, এ ধরনের সূরাই পাঠ করার কথা বলেছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯২২,ইসলামিক সেন্টার- ৯৩৪]

৯২৮

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুআয ইবনি জাবাল আল আনসারী [রাদি.] তার গোত্রের লোকেদের নিয়ে ইশার নামাজ আদায় করিলেন। তিনি কিরাআত দীর্ঘায়িত করিলেন। ফলে আমাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি [নামাজ ছেড়ে দিয়ে] চলে গেল এবং একাকী নামাজ আদায় করিল। তার সম্পর্কে মুআযকে অবহিত করা হলে তিনি বলিলেন, সে তো মুনাফিক। লোকটি যখন এ কথা জানল- সে  রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর কাছে চলে গেল এবং মুআয [রাদি.] যা বলেছেন তা তাঁকে জানাল। নবী [সাঃআঃ] তাকে বললেনঃ হে মুআয! তুমি কি ফিত্‌নাহ্‌-ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারী হইতে চাও? তুমি যখন লোকেদের ঈমামতি করিবে তখন সুরা আশ্‌ শাম্‌স, সূরাহ আল আলা, সূরাহ আলাক এবং সুরা আল লায়ল পাঠ করিবে। [ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯২৩, ই.সে ৯৩৫]

৯২৯

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

মুআয ইবনি জাবাল [রাদি.] রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর সাথে ইশার নামাজ আদায় করিতেন। অতঃপর নিজের সম্প্রদায়ে ফিরে এসে তাঁদেরকে নিয়ে পুনরায় ঐ নামাজ আদায় করিতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯২৪, ইসলামিক সেন্টার- ৯৩৬]

৯৩০

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুআয [রাদি.] রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর সাথে ইশার নামাজ আদায় করিতেন। অতঃপর তিনি নিজ গোত্রের মাসজিদে ফিরে এসে তাদেরকে নিয়ে পুনরায় নামাজ আদায় করিতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৯২৫, ইসলামিক সেন্টার- ৯৩৭]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply