যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে [ঘুম থেকে] জাগ্রত হইতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়।

যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে [ঘুম থেকে] জাগ্রত হইতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়।

যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে [ঘুম থেকে] জাগ্রত হইতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়। >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

২১.অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে [ঘুম থেকে] জাগ্রত হইতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়।

১৬৫১

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে কারো আশঙ্কা হলে সে যেন রাতের প্রথমভাগেই [ইশার নামাজের পর] বিত্‌র আদায় করে নেয়। আর কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে আগ্রহী থাকে [অর্থাৎ শেষ রাতে জাগতে পারবে বলে নিশ্চিত হইতে পারে] তাহলে সে যেন শেষভাগে বিত্‌র আদায় করে নেয়। কেননা, শেষ রাতের সলাতে [মালাকগণের] উপস্থিতি থাকে। আর এটাই সর্বোত্তম ব্যবস্থা। হাদীসটি বর্ণনাকারীর আবু মুআবিয়াহ্ [আরবী] শব্দের পরিবর্তে [আরবী] শব্দ উল্লেখ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৬৩৬, ইসলামিক সেন্টার- ১৬৪৩]

১৬৫২

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে তাহলে বিত্‌র নামাজ আদায় করে ঘুমাবে। আর যার শেষরাতে জাগতে পারার আত্মবিশ্বাস বা নিশ্চয়তা আছে সে শেষ রাতে বিত্‌র আদায় করিবে। কেননা শেষ রাতের কুরআন পাঠে মালায়িকাহ্ উপস্থিত থাকে। আর এটা সর্বাপেক্ষা উত্তমও বটে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৬৩৭, ইসলামিক সেন্টার- ১৬৪৪]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply