বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর

বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর

বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৫৯. অধ্যায়ঃ বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব

৩০৫৮

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] আবু বকর [রাদি.] ও উমর [রাদি.] আবত্বাহ নামক স্হানে অবতরণ করিতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩০]

৩০৫৯

নাফি [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

ইবনি উমর [রাদি.] মুহাসসাবে যাত্রা বিরতি সুন্নাত মনে করিতেন। তিনি বিদায়ের দিন [১২ অথবা ১৩ যিলহজ্জ] সেখানে যুহরেরর নামাজ আদায় করিতেন।

নাফি বলেন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুহাসসাবে যাত্রা বিরতি করিয়াছেন এবং তাহাঁর পরে খলীফাগণও। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩১]

৩০৬০

আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আবত্বাহে অবতরণ করা সুন্নাত নয়। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কেবল এজন্য সেখানে যাত্রা বিরতি করেছিলেন যে, সেখান থেকে তাহাঁর জন্য যাত্রা করা সহজতর ছিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৫, ই .সে. ৩০৩২]

৩০৬১

হিশাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৩]

৩০৬২

সালিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আবু বাকর [রাদি.], উমর [রাদি.] ও ইবনি উমর [রাদি.] আবত্বাহে অবতরণ করিতেন।

যুহরী বলেন, আমাকে উরওয়াহ্ অবহিত করিয়াছেন যে, আয়িশা [রাদি.] আবত্বাহে যাত্রা বিরতি করিতেন না। তিনি বলিতেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কেবলমাত্র [বিশ্রামের জন্য] এখানে যাত্রা বিরতি করিতেন যাতে সামনের পথ অতিক্রম সহজ হয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৭, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৪]

৩০৬৩

ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুহাসসাবে যাত্রা বিরতি বাধ্যতামূলক নয়। এটি একটি মাঞ্জিল যেখানে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] যাত্রা বিরতি করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৮, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৫]

৩০৬৪

সুলায়মান ইবনি ইয়াসার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আবু রাফি [রাদি.] বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] যখন মিনা থেকে রওনা হলেন তখন তিনি আমাকে আবত্বাহে যাত্রা বিরতির নির্দেশ দেননি। বরং আমি সেখানে পৌঁছে তাঁবু খাটালাম, এরপর রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এসে সেখানে অবতরণ করিলেন। আবু রাফি [রাদি.] রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]–এর মালপত্রের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৩৯, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৬]

৩০৬৫

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.]–এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীকাল সকালে খায়ফে বানী কিনানায় অবতরণ করব- যেখানে তারা [কাফিররা] কুফরীর উপর অবিচল থাকার শপথ নিয়েছিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৪০, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৭]

৩০৬৬

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা মিনায় থাকা কালে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের বললেনঃ আগামীকাল সকালে আমরা কিনানাহ্ গোত্রের ঘাঁটিতে অবতরণ করব যেখানে তারা কুফরির উপর অটল থাকার শপথ করেছিল।

তা হচ্ছে– কুরায়শ ও কিনানাহ্ গোত্র হাশিম ও মুত্ত্বালিব গোত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে এ মর্মে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, এরা তাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করিবে না এবং বাণিজ্যিক লেনদেন করিবে না- যতক্ষণ তারা রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে তাদের হাতে অর্পণ না করিবে– এ হচ্ছে সেই মুহাস্সাব। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৪১, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৮]

৩০৬৭

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.]-এর সূত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের বিজয় দান করেন তবে ইনশা-আল্লাহ আমাদের মাঞ্জিল হইবে খায়ফে, যেখানে কুরায়শরা কুফরির উপর অটল থাকার শপথ করেছিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩০৪২, ইসলামিক সেন্টার- ৩০৩৯]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply