আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দাকে মুহাব্বাত করেন ..

আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দাকে মুহাব্বাত করেন

আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দাকে মুহাব্বাত করেন >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৪৮. অধ্যায়ঃ আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দাকে মুহাব্বাত করেন তখন তাকে তার সকল বান্দাদের কাছেও প্রিয় করিয়ে দেন

৬৫৯৮

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা যদি কোন বান্দাকে পছন্দ করেন তখন জিব্রীল [আঃ]-কে ডাক দেন এবং বলেন, নিশ্চয়ই আমি অমুক লোককে পছন্দ করি, তুমিও তাকে পছন্দ কর। তিনি বলেন, তখন জিব্রীল [আঃ] তাকে পছন্দ করেন। অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলীতে ঘোষণা দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ অমুক লোককে পছন্দ করেন, সুতরাং আপনারাও তাকে পছন্দ করুন। তখন আকাশবাসীরা তাকে পছন্দ করে। তিনি বলেন, এরপর দুনিয়াতে তাকে নন্দিত, সমাদৃত করা হয়। আর আল্লাহ যদি কোন লোকের উপর রাগ করেন তখন জিব্রীল [আঃ]-কে ডাক দেন এবং বলেন, আমি অমুক বান্দার উপর রাগ করেছি, তুমিও তার প্রতি নারাজ হও। তিনি [সাঃআঃ] বলেন, তখন জিব্রীল [আঃ] তার উপর রাগান্বিত হন। তারপর তিনি আকাশবাসীদেরকে ডাক দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা অমুকের উপর রাগান্বিত। কাজেই আপনারাও তার উপর ক্রোধান্বিত হোন। তিনি বলেন, তখন লোকেরা তার উপর দুশমনি পোষণ করে। তারপর তার জন্য পৃথিবীতে শত্রু বানিয়ে দেয়া হয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬০৫, ইসলামিক সেন্টার- ৬৫১৭]

৬৫৯৯

সুহায়ল [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

সুহায়ল [রাদি.] এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। তাছাড়া আলা ইবনিল মুসাইয়্যাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর হাদীসে [আরবি] [শত্রুতা] শব্দটির উল্লেখ নেই। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৬, ইসলামিক সেন্টার- ৬৫১৮]

৬৬০০

আবু সালিহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করছিলাম। তখন উমর ইবনি আবদুল আযীয [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] গমন করিলেন। সে সময় হাজ্জের মৌসুম, লোকেরা তাঁকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমার মনে হয়, আল্লাহ তাআলা উমর ইবনি আবদুল আযীয [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-কে পছন্দ করেন। তিনি বলেন, সে কি? অর্থাৎ- তুমি কিভাবে বুঝলে? আমি বললাম, এ কারণে যে, মানুষের হৃদয়ে তার ভালবাসা বদ্ধমূল হয়ে আছে। তিনি বলিলেন, তোমার পিতার শপথ! তুমি শুনেছ আবু হুরায়রা্ [রাদি.]-কে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে হাদীস বর্ণনা করিতে। তারপর তিনি সুহায়ল [রাদি.] হইতে জারীর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৭, ইসলামিক সেন্টার- ৬৫১৯]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply