নতুন লেখা

আল্লাহ তাআলার রহ্‌মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে

আল্লাহ তাআলার রহ্‌মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে

আল্লাহ তাআলার রহ্‌মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৪. অধ্যায়ঃ আল্লাহ তাআলার রহ্‌মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে

৬৮৬২

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেন, যখন আল্লাহ তাআলা মাখলূক সৃষ্টি করিলেন তখন তিনি তাহাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করিলেন এবং তা তাহাঁর নিকট আর্‌শের উপরে রয়েছে। [তিনি লিখেছেন] আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকিবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৬, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭২]

৬৮৬৩

আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.]-এর সু্ত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

আল্লাহ তাআলা বলেছেন, আমার গোস্বাকে আমার রহমাত অতিক্রম করেছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৭, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৩]

৬৮৬৪

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, আল্লাহ যখন মাখলূক সৃষ্টি করিলেন তখন তিনি তাহাঁর কিতাবের মধ্যে নিজের কাছে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। [তাতে তিনি লিখে রেখেছেন] আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকিবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৮, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৪]

৬৮৬৫

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে এ কথা বলিতে শুনেছি যে, আল্লাহ তাআলা তাহাঁর রহ্‌মাতকে একশ ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে আটকিয়ে রেখেছেন এবং একভাগ পৃথিবীতে অবতীর্ণ করিয়াছেন। রহ্‌মাতের এ অংশ হইতেই সৃষ্টজীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া করে, এমনকি প্রাণী পর্যন্ত; যে স্বীয় ক্ষুরকে নিজ সন্তানাদির গায়ে লাগার ভয়ে তা তুলে নিয়ে থাকে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৯, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৫]

৬৮৬৬

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা একশ ভাগ রহ্‌মাত সৃষ্টি করে একভাগ সৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়েছেন এবং নিরানব্বই ভাগ নিজের নিকট লুকায়িত রেখেছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২০, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৬]

৬৮৬৭

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেনঃ আল্লাহর একশ ভাগ রহ্‌মাত আছে। তন্মধ্যে একভাগ রহ্‌মাত তিনি জিন, ইনসান, চুতষ্পদ জন্তু ও কীট-পতঙ্গের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। এ এক ভাগ রহ্‌মাতের কারণেই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অপরের প্রতি দয়া করে এবং এ এক ভাগ রাহ্‌মাতের মাধ্যমে বন্য পশু নিজ সন্তানের প্রতি দয়া ও অনুকম্পা প্রদর্শন করে। মহান আল্লাহ তাহাঁর একশ ভাগ রহ্‌মাতের নিরানব্বই ভাগ রহ্‌মাত নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এর দ্বারা তিনি কিয়ামাতের দিন স্বীয় বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২১, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৭]

৬৮৬৮

সালমান আল ফারিসী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার একশ ভাগ রহ্‌মাত আছে। তার মধ্যে একভাগ রহ্‌মাতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহ্‌মাত রাখা হয়েছে কিয়ামাত দিনের জন্য। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২২, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৮]

৬৮৬৯

মুতামির-এর পিতা হইতে বর্ণীতঃ

উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৩, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৯]

৬৮৭০

সালমান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আকাশমণ্ডলী ও জমিন সৃষ্টির সময়ে আল্লাহ তাআলা একশ রহ্‌মাত সৃষ্টি করিয়াছেন। প্রত্যেকটি রহ্‌মাত আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমপরিমাণ। এ একশ রহ্‌মাত হইতে একভাগ রহ্‌মাত দুনিয়ার জন্য নির্ধারণ করিয়াছেন। এর তাগিদেই মা তার সন্তানের প্রতি এতটুকু স্নেহপরায়ণা হয়ে থাকে এবং বন্য পশু-পাখি একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়। যখন কিয়ামাত দিবস হইবে তখন আল্লাহ তাআলা এ রহমাত দ্বারা [একভাগকেও নিরানব্বই ভাগের সাথে মিলিয়ে একশ] পূর্ণ করবেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৪, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৭৯]

৬৮৭১

উমর ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, এক সময় কয়েকজন বন্দী রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট নিয়ে আসা হলো। বন্দীদের মধ্যে থেকে একজন নারী কেবলই অনুসন্ধানে রত ছিল। সে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশুকে পাওয়া মাত্র তাকে কোলো নিয়ে পেটের সাথে জড়িয়ে ধরে তাকে দুগ্ধ পান করাত। এ দেখে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের প্রশ্ন করিলেন, এ মহিলাটি কি তার সন্তানদেরকে আগুনে ফেলতে রাজি হইবে? আমরা বললাম, না। আল্লাহর শপথ! সে কোন সময় তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করিতে পারবে না। তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, সন্তানের উপর এ মহিলাটির দয়া হইতেও আল্লাহ বেশি দয়ালু। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৫, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮০]

৬৮৭২

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে যে কি পরিমাণ শাস্তি রয়েছে, ঈমানদারগণ যদি তা জানত তবে কেউ তাহাঁর কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করত না। এমনিভাবে আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দয়া আছে, অবিশ্বাসীরা যদি তা জানত তবে কেউ তার জান্নাত থেকে নিরাশ হত না। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৬, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮১]

৬৮৭৩

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ জনৈক লোক যে জীবনে কক্ষনো কোন প্রকার সাওয়াবের কাজ করেনি, যখন সে মারা যাবে তার পরিবার পরিজনকে ডেকে বলিল, মৃত্যুর পর তোমরা তাকে পুড়ে ফেলবে সেটার অর্ধেক স্থলভাগে বাতাসে উড়িয়ে দিবে এবং অর্ধেক পানিতে নিক্ষেপ করিবে। কারণ আল্লাহর কসম! আমাকে যদি আল্লাহ পুনঃ একত্রিত করিতে পারেন তাহলে তিনি আমাকে অবশ্যই এমন আযাব দিবেন, যা পৃথিবীর অন্য কাউকে কখনো দেননি। তারপর লোকটি যখন ইন্তিকাল করিল তখন তার পরিবারের লোকেরা তার নির্দেশ অনুযায়ী তদ্রূপ করিল। তখন আল্লাহ তাআলা স্থলভাগকে আদেশ দিলেন সে তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে [ছাই] একত্রিত করলো। এরপর পানিতে মিশ্রিত ভাগকে নির্দেশ দিলেন। সেও তার মধ্যস্থিত সব কিছু একত্রিত করে দিল। অতঃপর আল্লাহ তাআলা তাকে প্রশ্ন করিলেন, তুমি এমনটি কেন করলে? সে বলিল, হে আমার রব! আপনার ভয়ে। আপনি তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তাআলা সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৭, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮২]

৬৮৭৪

আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.]-এর সূত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেছেন, এক লোক তার নিজের উপর সীমাহীন পাপ করেছে। এরপর যখন মৃত্যু সমুপস্থিত তখন সে তার সন্তান-সন্ততিদেরকে ওয়াসীয়াত করে বলিল, আমার ইন্তিকালের পর তোমরা আমাকে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলোকে ভালোভাবে পিষবে। তারপর আমাকে সমুদ্রের মধ্যে বাতাসে ছেড়ে দিবে। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ যদি আমাকে পেয়ে যান, তবে নিশ্চিতই তিনি আমাকে এমন আযাব দিবেন, যা তিনি আর কাউকে দেননি। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, সন্তানগণ তার সঙ্গে হুবহু তাই করিল। এরপর আল্লাহ তাআলা মাটিকে বলিলেন, তুমি তার যে ছাই ধারণ করছো তা একত্রিত করে দাও। ফলে সে সোজা হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করিলেন, এ কর্ম করার কারণে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? উত্তরে সে বলিল, [আরবী] অথবা [আরবী]–আপনার ভয়ে। এ কথার প্রেক্ষিতে আল্লাহ সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৮, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮৩]

৬৮৭৫

আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.]-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়।

যুহরী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দুটো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ আমল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে [পাপরাশিতে ডুবে না থাকে] এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে [আযাবের ভয়ে] নিরাশ না হয়ে যায়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৮, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮৩]

৬৮৭৬

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ [সাঃআঃ]-কে এ কথা বলিতে শুনেছি যে, একজন গোলাম তার নিজের আত্মার প্রতি যুল্‌ম করেছিল অর্থাৎ সীমাহীন পাপ করেছিল। তারপর তিনি [আরবী] পর্যন্ত মামার-এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করিয়াছেন।

তবে বিড়ালের কাহিনী সম্পর্কিত মহিলার হাদীসটি বর্ণনা করেননি।

তবে যুবাইদী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর হাদীসে রয়েছে, তারপর আল্লাহ তাআলা- যারা তার সর্বাঙ্গ গ্রাস করেছে তাদের বলিলেন, তার যে যে অংশে তোমরা খেয়ে ফেলেছো, তা সমন্বিত করে দাও। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৯, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮৪]

৬৮৭৭

আবু সাঈদ আল খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণনা করলে, [তিনি বলেছেন,] আগের যুগের এক লোক ছিল। আল্লাহ তাআলা তাকে অনেক সন্তান এবং অনেক প্রাচুর্য দিয়েছিলেন। সে তার সন্তান-সন্ততিদের বলিল, আমি যা তোমাদের আদেশ করব অবশ্যই তোমরা তা করিবে নচেৎ আমি অন্য কাউকে আমার ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার করে দিব। আমি যখন মরে যাবো তখন তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, সে এও বলেছে যে, তারপর আমাকে পিষে বাতাসে উড়িয়ে দিবে। কারণ আল্লাহর কাছে আগে আমি কোন সাওয়াব পাঠাইনি। আল্লাহ তাআলা আমাকে সাজা দেয়ার উপর শক্তি রাখেন। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, এ বিষয়ে সে তার সন্তানদের থেকে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করিল। এরপর তারা তার পিতার ক্ষেত্রে তেমনি করিল। আমার রবের কসম! এরপর আল্লাহ তাআলা তাকে প্রশ্ন করিলেন, এ কর্ম করার বিষয়ে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? সে বলিল, আপনার ভয়ে। এ কথা শুনে আল্লাহ তাকে আর কোন আযাব দেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩০, ইসলামিক সেন্টার- ৬৭৮৫]

৬৮৭৮

কাতাদাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তারা সকলেই শুবার সানাদের ন্যয় উক্ত হাদীসটি শুবার হাদীসের অবিকল বর্ণনা করিয়াছেন। শাইবান-এর হাদীসে رَاشَهُ اللَّهُ -এর স্থলে رَغَسَهُ -[আল্লাহ তাকে দান করিয়াছেন] বর্ণিত আছে।

আর আত তামিমির হাদিসের মধ্যেلَمْ أَبْتَهِرْ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا এর স্থলেلَمْ يَبْتَئِرْ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا বর্ণিত আছে। কাতাদাহ্ (রহঃ) এর ব্যাখ্যায় বলেন, সে আল্লাহর কাছে কোন বিষয়ই একত্রিত করেনি। শইবান এর হাদিসে আছে مَا ابْتَأَرَ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا আর আবূ আওয়ানার হাদিসে আছে مَا امْتَأَرَ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا বা অক্ষরের স্থলে মীম অক্ষর আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩১, ইসলামিক সেন্টার ৬৭৮৬)

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে”

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে” মহান আল্লাহর …

Leave a Reply

%d bloggers like this: