ফাজায়েলে জিকির – আল্লাহর যিকির

ফাজায়েলে জিকির – আল্লাহর যিকির

এ বিষয়ে আরও পড়ুন >> মুয়াত্তা মালিক >> সহীহ বুখারী >> আদাবুল মুফরাদ >> সহীহ মুসলিম >> আবু দাউদ >> ইবনে মাজাহ >> তিরমিজি >> নাসাঈ >> মিশকাত >> রিয়াদুস সালেহীন >> বুলুগুল মারাম হাদীস শরীফ হতে

  1. পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ তাআলার যিক্‌র-এর ফাযীলাত।
  2. পরিচ্ছেদঃ সুবহানাল্লাহ পাঠের ফাযীলাত।
  3. পরিচ্ছেদঃ সুবহানাল্লাহ , আল্‌হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার
  4. পরিচ্ছেদঃ সুবহানাল্লাহ , আল্‌হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়াআলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর
  5. পরিচ্ছেদঃ সুবহানাল্লাহ , আল্‌হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
  6. পরিচ্ছেদঃ সুবহানাল্লাহ ওয়ালহামৃদু লিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার”

পরিচ্ছেদঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলা

পরিচ্ছেদঃ লা ইলাহা ইল্লালাহ-এর (যিক্‌র করার) ফাযীলাত।

পরিচ্ছেদঃ লা ইলাহা ইলাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার এবং লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলা

পরিচ্ছেদঃ লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর

পরিচ্ছেদঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু লা শারীকা লাহু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হামদু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ

পরিচ্ছেদঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়াআলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। আল্লাহুম্মা লা মানিআ লিমা আত্বায়তা ওয়ালা মুত্বিআ লিমা মানাতা ওয়ালা ইয়ানফাউ যাল জাদ্দু মিনকাল জাদ্দ।

পরিচ্ছেদঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়াআলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ দ্বীন ওয়ালাও কারিহাল কফিরুন। আহলুন নিআমি ওয়াল ফাদলি, ওয়াস সানায়িল হুসনি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুল দ্বীন ওয়ালাও কারিহাল কাফিরুন।

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লা নাবুদু ইল্লা ইয়্যাহু লাহুন নিমাতু

পরিচ্ছেদঃ আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু

১ পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ তাআলার যিক্‌র-এর ফাযীলাত।

আবু মূসা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নাবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ যে তার প্রতিপালকের যিক্‌র করে, আর যে যিক্‌র করে না, তাদের উপমা হলো জীবিত ও মৃত ব্যক্তি।

ফায়দাঃ ইমাম বুখারী, সহীহ বুখারী শরিফে এই হাদিসটির পরিচ্ছেদে নামকরন করেছেন “আল্লাহ তাআলার যিক্‌র-এর ফাযীলাত”। সহীহ বুখারী ৬৪০৭ আঃপ্রঃ- ৫৯৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৫২

আবু হুরাইরা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর একদল ফেরেশতা আছেন, যাঁরা আল্লাহর যিক্‌রে রত লোকদের খোঁজে পথে পথে ঘুরে বেড়ান। যখন তাঁরা কোথাও আল্লাহর যিক্‌রে রত লোকদের দেখিতে পান, তখন ফেরেশতারা পরস্পরকে ডাক দিয়ে বলেন, তোমার আপন আপন কাজ করার জন্য এগিয়ে এসো। তখন তাঁরা তাঁদের ডানাগুলো দিয়ে সেই লোকদের ঢেকে ফেলেন নিকটবর্তী আকাশ পর্যন্ত। তখন তাঁদের প্রতিপালক তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন (যদিও ফেরেশতাদের চেয়ে তিনিই অধিক জানেন) আমার বান্দারা কী বলছে? তখন তাঁরা বলে, তারা আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছে, তারা আপনার শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দিচ্ছে, তারা আপনার গুণগান করছে এবং তারা আপনার মাহাত্ম্য প্রকাশ করছে। তখন তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি আমাকে দেখেছে? তখন তারা বলবেঃ হে আমাদের প্রতিপালক, আপনার শপথ! তারা আপনাকে দেখেনি। তিনি বলবেন, আচ্ছা, তবে যদি তারা আমাকে দেখত? তাঁরা বলবেন, যদি তারা আপনাকে দেখত, তবে তারা আরও অধিক পরিমাণে আপনার ইবাদাত করত, আরো অধিক আপনার মাহাত্ম্য ঘোষণা করত, আরো অধিক পরিমানে আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করত। বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহ বলবেন, তারা আমার কাছে কি চায়? তাঁরা বলবে, তারা আপনার কাছে জান্নাত চায়। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি জান্নাত দেখেছে? ফেরেশতারা বলবেন, না। আপনার সত্তার কসম! হে রব! তারা তা দেখেনি। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, যদি তারা দেখত তবে তারা কী করত? তাঁরা বলবে, যদি তারা তা দেখত তাহলে তারা জান্নাতের আরো অধিক লোভ করত, আরো বেশি চাইত এবং এর জন্য আরো বেশি বেশি আকৃষ্ট হত। আল্লাহ তাআলা জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায়? ফেরেশতাগণ বলবেন, জাহান্নাম থেকে। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি জাহান্নাম দেখেছে? তাঁরা জবাব দেবে, আল্লাহর কসম! হে প্রতিপালক! তারা জাহান্নাম দেখেনি। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, যদি তারা তা দেখত তখন তাদের কী হত? তাঁরা বলবে, যদি তারা তা দেখত, তাহলে তারা তাত্থেকে দ্রুত পালিয়ে যেত এবং একে অত্যন্ত বেশি ভয় করত। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি, আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম। তখন ফেরেশতাদের একজন বলবে, তাঁদের মধ্যে অমুক ব্যক্তি আছে, যে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয় বরং সে কোন প্রয়োজনে এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলবেন, তারা এমন উপবেশনকারী যাদের মাজলিসে উপবেশনকারী বিমুখ হয় না।

ফায়দাঃ মুহাম্মদ জাকারিয়া কান্ধলভি তার ফাজায়েলে আমল কিতাবের তৃতীয় অধ্যায়ে, কালেমায়ে ছুওমের ফাজায়েল এর প্রথম পরিচ্ছেদে ১৪ নং হাদিসে ইহা উল্লেখ করেছেন

ইমাম বুখারী, সহীহ বুখারী শরিফে এই হাদিসটির পরিচ্ছেদে নামকরন করেছেন “আল্লাহ তাআলার যিক্‌র-এর ফাযীলাত”। শুবা এটিকে আমাশ হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, কিন্তু তিনি তাকে চিনেন না। সুহাইল তার পিতা হইতে, তিনি আবু হুরাইরা হইতে, তিনি নাবী (সাঃআঃ) হইতে এটি বর্ণনা করিয়াছেন। সহীহ বুখারী তাঃপ্রঃ ৬৪০৮, আঃপ্রঃ ৫৯৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ৫৮৫৩), [মুসলিম ৪৮/৮, হাদীস ২৬৮৯, আহমাদ ৭৪৩০]

আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বললেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন, আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী নিকটে আছি। যখন সে আমার যিকির [স্মরণ] করে সে সময় আমি তার সাথে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী স্মরণ করলে আমিও তাকে এককী স্মরন করি। আর যদি সে আমাকে কোন সভায় আমার কথা স্মরণ করে তাহলে আমি তাকে তার চেয়ে উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তার দিকে দৌড়িয়ে আসি।

ফায়দাঃ সহীহ মুসলিম হাঃফাঃ ৬৬৯৮, ৬৬৯৯ ইঃফাঃ ৬৫৬২ ইঃসেঃ ৬৬১৫, ৬৬১৬; সহীহ মুসলিম-৬৭০০ নং হাদিসে একই হাদিস বর্ণনা করেন হাম্মাম ইবনি মুনাব্বিহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]

আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মক্কার পথে চলতে থাকেন। অতঃপর জুমদন নামে একটি পর্বতের কাছে গেলেন। এরপর তিনি বলিলেন, তোমরা এ জমদান পর্বতে সফর করো। মুফার্রিদগণ অগ্রগামী হয়েছে। মানুষেরা প্রশ্ন করিল, মুফার্রিদ কারা! হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]? তিনি বলিলেন, বেশি বেশি আল্লাহর যিকিরে নিয়োজিত পুরুষ ও নারী।

ফায়দাঃ সহীহ মুসলিম-৬৭০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৪, ইসলামিক সেন্টার ৬৬১৮

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply