আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য

আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য

আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

২৯. অধ্যায়ঃ আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য

৪৭৬১

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ এমন কেউ নেই যে মৃত্যুবরণ করেছে, আল্লাহর কাছে তার সাওয়াব রয়েছে আর সে দুনিয়ায় ফিরে আসতে প্রসন্ন বোধ করে যদিও বা গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যকার সব কিছু তারই হয় তবুও। শহীদ ছাড়া; সে কামনা করিবে ফিরে আসতে যেন আবার দুনিয়ায় শহীদ হইতে পারে। তা এজন্যে যে, সে শাহাদাতের ফযিলত প্রত্যক্ষ করেছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৪, ইসলামিক সেন্টার- ৪৭১৫]

৪৭৬২

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেছেনঃ এমন কেউ নেউ যে জান্নাতে প্রবেশ করিবে অথচ দুনিয়ায় ফিরে আসাটা পছন্দ করিবে যদিও বা গোটা দুনিয়ার সবকিছু তারই হয়, কেবল শহীদ ছাড়া; কেননা সে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করে যেন আরও দশবার শহীদ হয়, তা এজন্যে যে, সে মর্যাদা প্রত্যক্ষ করেছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৫, ইসলামিক সেন্টার- ৪৭১৬]

৪৭৬৩

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী [সাঃআঃ]- কে জিজ্ঞেস করা হলো, আল্লাহর পথে জিহাদের তুল্য আর কী আছে? তিনি বলিলেন, তোমরা তা করিতে পারবে না। রাবী বলেন, প্রশ্নকারীরা কথাটা দুবার বা তিনবার করে ফিরিয়ে বলিলেন। প্রত্যেকবারই তিনি বলিলেন, তোমরা তা পারবে না। তৃতীয়বার তিনি বলিলেন, আল্লাহর পথে জিহাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে এমন ব্যক্তির মতো, যে সর্বদা সিয়াম পালনকারী, সলাতে দণ্ডায়মান, আল্লাহর আয়াতের প্রতি পূর্ণ অনুগত, সিয়ামে বা কিয়ামে যে ক্লান্তিবোধ করে না, যতক্ষণ না আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদ প্রত্যাবর্তন করে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৬, ইসলামিক সেন্টার- ৪৭১৭]

৪৭৬৪

সুহায়ল [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৭, ইসলামিক সেন্টার- ৪৭১৮]

৪৭৬৫

নুমান ইবনি বাশীর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]- এর মিম্বারের নিকটেই ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলো- ইসলাম গ্রহণের পর যদি আমি আর কোন সৎ কাজই না করি তাতে আমার কোন পরওয়া নেই; তবে আমি হাজীদেরকে পানি পান করাব। অপর একজন বলে উঠলো, মুসলিম হওয়ার পর যদি আমি আর কোন সৎ কাজই না করি তাতে আমার কোন পরোয়া নেই, তবে আমি মাসজিদুল হারামের মেরামত প্রভৃতি করে যাব। অপর একজন বলে উঠল, আল্লাহর পথে লড়াই তোমরা যা যা বলেছো তার চাইতে উত্তম। তখন উমর [রাদি.] তাদেরকে ধমক দিয়ে বলে উঠলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]- এর মিম্মারের নিকটে তোমরা চিৎকার করো না। সেটা ছিল জুমুআর দিন। বরং যখন জুমুআর নামাজ হয়ে যাবে, তখন আমি তাহাঁর নিকটে গিয়ে তোমরা যে ব্যাপারে বিতর্ক করছো তা জিজ্ঞেস করে নেবো, তখন আল্লাহ তাআলা [সে প্রেক্ষিতে] নাযিল করলেনঃ “যারা হাজীদের পানি সরবরাহ করে এবং মাসজিদুল হারামের রক্ষণাবেক্ষণ করে তোমরা কি তাদেরকে ওদের সমান করো, যারা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান আনে ……”- [সূরা আত্‌-তাওবাহ্‌ ৯ : ১৯]। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৮, ইসলামিক সেন্টার- ৪৭১৯]

৪৭৬৬

নুমান ইবনি বাশীর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]- এর মিম্বারের কাছে ছিলাম। বাকী হাদীস আবু তাওবাহ্‌-এর হাদীসের অনুরূপ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৯, ইসলামিক সেন্টার- ৪৭২০]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply