আযানের ফযীলত – রিয়াদুস সালেহিন হাদিস থেকে সংকলিত

আযানের ফযীলত – রিয়াদুস সালেহিন হাদিস থেকে সংকলিত

আযানের ফযীলত – রিয়াদুস সালেহিন হাদিস থেকে সংকলিত >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১৮৬: আযানের ফযীলত

1/1040 عَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي النِّدَاءِ وَالصَّفِ الأَوَّلِ، ثُمَّ لَمْ يَجِدُوا إِلاَّ أنْ يَسْتَهِمُوا عَلَيْهِ لاَسْتَهَمُوا عَلَيْهِ، ولو يَعْلَمُونَ مَا فِي التَّهْجِيرِ لاَسْتَبَقُوا إِلَيْهِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي العَتَمَةِ وَالصُّبْحِ لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْواً». متفقٌ عَلَيْهِ

১/১০৪০। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, “লোকেরা যদি জানত যে, আযান দেওয়া ও নামাযের প্রথম সারিতে দাঁড়াবার কি মাহাত্ম্য আছে, অতঃপর [তাতে অংশগ্রহণের জন্য] যদি লটারি ব্যতিরেকে অন্য কোনো উপায় না পেত, তবে তারা অবশ্যই সে ক্ষেত্রে লটারির সাহায্য নিত। [অনুরূপ] তারা যদি জানত যে, আগে আগে মসজিদে আসার কি ফযীলত, তাহলে তারা সে ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করত। আর তারা যদি জানত যে, এশা ও ফজরের নামায [জামাতে] পড়ার ফযীলত কত বেশি, তাহলে মাটিতে হামাগুড়ি দিয়ে বা পাছা ছেঁচড়ে আসতে হলেও তারা অবশ্যই আসত।” [বুখারী-মুসলিম] [1]

2/1041وَعَنْ مُعَاوِيَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: «المُؤَذِّنُونَ أَطْوَلُ النَّاسِ أَعْناقاً يَوْمَ القِيَامَةِ». رواه مسلم

২/১০৪১। মুআবিয়াহ ইবনি আবূ সুফিয়ান রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি, “কিয়ামতের দিনে সমস্ত লোকের চাইতে মুয়াজ্জিনদের গর্দান লম্বা হইবে।” [মুসলিম] [2]

3/1042 وَعَنْ عَبدِ اللهِ بنِ عَبدِ الرَّحْمَانِ بنِ أَبي صَعْصَعَة: أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الخُدرِيَّ رضي الله عنه، قَالَ لَهُ :إنِّي أَرَاكَ تُحبُّ الغَنَمَ وَالبَادِيَةَ فَإِذَا كُنْتَ فِي غَنَمِك – أَوْ بَادِيتِكَ – فَأذَّنْتَ لِلصَّلاَةِ، فَارْفَعْ صَوْتَكَ بِالنِّدَاءِ، فَإِنَّهُ لاَ يَسْمَعُ مَدَى صَوْتِ المُؤَذِّنِ جِنٌّ، وَلاَ إِنْسٌ، وَلاَ شَيْءٌ، إِلاَّ شَهِدَ لَهُ يَومَ القِيَامَةِ»  قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: سَمِعتُهُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم . رواه البخاري

৩/১০৪২। আব্দুল্লাহ ইবনি আব্দুর রহমান ইবনি স্বা‘স্বা‘আহ হইতে বর্ণিত, একদা আবূ সাঈদ খুদরী রাঃআঃ তাঁকে বলিলেন, ‘আমি তোমাকে দেখছি যে, তুমি ছাগল ও মরুভূমি ভালোবাসো। সুতরাং তুমি যখন তোমার ছাগলে বা মরুভূমিতে থাকিবে আর নামাযের জন্য আযান দেবে, তখন উচ্চ স্বরে আযান দিয়ো। কারণ মুয়াজ্জিনের আযান ধ্বনি যতদূর পর্যন্ত মানব-দানব ও অন্যান্য বস্তু শুনতে পাবে, কিয়ামতের দিন তারা তার জন্য সাক্ষ্য দেবে।’ আবূ সাঈদ রাঃআঃ বলেন, ‘আমি এটি আল্লাহর রসূল সাঃআঃ-এর নিকট শুনিয়াছি।’ [বুখারী] [3]

4/1043 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : «إِذَا نُودِيَ بِالصَّلاَةِ، أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ، وَلَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لاَ يَسْمَعَ التَّأذِينَ، فَإِذَا قُضِيَ النِّدَاءُ أقْبَلَ، حَتَّى إِذَا ثُوِّبَ للصَّلاةِ أَدْبَرَ، حَتَّى إِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ، حَتَّى يَخْطِرَ بَيْنَ المَرْءِ وَنَفْسِهِ، يَقُوْلُ: اذْكُرْ كَذَا وَاذْكُرْ كَذَا – لِمَا لَمْ يَذْكُرْ مِنْ قَبْلُ – حَتَّى يَظَلَّ الرَّجُلُ مَا يَدْرِيْ كَمْ صَلَّى». متفقٌ عَلَيْهِ

৪/১০৪৩। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যখন নামাযের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান বাতকর্ম করিতে করিতে পিঠ ঘুরিয়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযান শুনতে না পায়। তারপর আযান শেষ হলে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত যখন ‘তাকবীর’ দেওয়া হয়, তখন আবার পিঠ ঘুরিয়ে পালায়। অতঃপর যখন ‘তাকবীর’ শেষ হয়, তখন আবার ফিরে আসে। পরিশেষে [নামাযী] ব্যক্তির মনে এই কুমন্ত্রণা প্রক্ষেপ করে যে, অমুক জিনিসটা স্মরণ কর, অমুক বস্তুটা খেয়াল কর। সে সমস্ত বিষয় [স্মরণ করায়] যা পূর্বে তার স্মরণে ছিল না। শেষ পর্যন্ত এ ব্যক্তি এরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় যে, সে বুঝতে পারে না, কত রাক‘আত নামায সে আদায় করিল।” [বুখারী, মুসলিম] [4]

5/1044 وَعَنْ عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُوْلُ: إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُوْلُ، ثُمَّ صَلُّوا عَلَيَّ ؛ فَإِنَّهُ مَنْ صَلَّى عَلَيَّ صَلاَةً صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْراً، ثُمَّ سَلُوا اللهَ لِيَ الوَسِيلَةَ ؛ فَإِنَّهَا مَنْزِلَةٌ فِي الجَنَّةِ لاَ تَنْبَغِي إِلاَّ لِعَبْدٍ مِنْ عِبَادِ اللهِ، وَأرْجُو أَنْ أَكُونَ أَنَا هُوَ، فَمَنْ سَأَلَ لِيَ الوَسِيلَةَ حَلَّتْ لَهُ الشَّفَاعَةُ». رواه مسلم

৫/১০৪৪। ‘আব্দুল্লাহ ইবনি ‘আমর ইবনি ‘আস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি নবী সাঃআঃ-কে এ কথা বলিতে শুনেছেন যে, “তোমরা যখন আযান শুনবে, তখন [আযানের উত্তরে] মুয়াজ্জিন যা কিছু বলবে, তোমরাও ঠিক তাই বলবে। তারপর আযান শেষে আমার উপর দরূদ পাঠ করিবে। কেননা, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করিবে, তার বিনিময়ে তার প্রতি আল্লাহ দশটি রহমত নাযিল করবেন। অতঃপর তোমরা আল্লাহর নিকট আমার জন্য ‘অসীলা’ প্রার্থনা করিবে। কারণ, ‘অসীলা’ হচ্ছে জান্নাতের এমন একটি স্থান, যা সমস্ত বান্দার মধ্যে কেবল আল্লাহর একটি বান্দা [তার উপযুক্ত] হইবে। আর আশা করি, আমিই সেই বান্দা হব। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার জন্য অসীলা প্রার্থনা করিবে, সে [আমার] সুপারিশ প্রাপ্ত হইবে।” [মুসলিম] [5]

6/1045 وَعَنْ أَبي سَعِيدٍ الخُدرِيِّ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم  «إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ، فَقُولُوا كَمَا يَقُوْلُ المُؤَذِّنُ». متفقٌ عَلَيْهِ

৬/১০৪৫। আবূ সাঈদ খুদরী রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যখন তোমরা আযান ধ্বনি শুনবে, তখন [আযানের উত্তরে] মুয়াজ্জিন যা কিছু বলবে, তোমরাও ঠিক তাই বলো” [বুখারী, মুসলিম] [6]

7/1046 وَعَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم  قَالَ:  «مَنْ قَالَ حِيْنَ يَسْمَعُ النِّدَاءَ:  اَللهم رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ القَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّداً الوَسِيلَةَ، وَالفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامَاً مَحْمُوداً الَّذِيْ وَعَدْتَهُ، حَلَّتْ لَهُ شَفَاعَتي يَوْمَ القِيَامَةِ». رواه البخاري

৭/১০৪৬। জাবের রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যে ব্যক্তি আযান শুনে [আযানের শেষে] এই দো‘আ বলবে,

‘আল্লা-হুম্মা রাব্বা হা-যিহিদ দা‘অতিত্ তা-ম্মাহ, অস্স্বালা-তিল ক্বা-য়িমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল অসীলাতা অলফাযীলাহ, অবআষহু মাক্বা-মাম মাহমূদানিল্লাযী অ‘আত্তাহ।’

অর্থাৎ হে আল্লাহ এই পূর্ণা-ঙ্গ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠা লাভকারী নামাযের প্রভু! মুহাম্মদ সাঃআঃ-কে তুমি অসীলা [জান্নাতের এক উচ্চ স্থান] ও মর্যাদা দান কর এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছ।

সে ব্যক্তির জন্য কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশ অনিবার্য হয়ে যাবে।” [বুখারী] [7]

8/1047 وَعَنْ سَعدِ بنِ أَبي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أنَّه قَالَ: «مَنْ قَالَ حِيْنَ يَسْمَعُ المُؤَذِّنَ: أَشْهَدُ أَنْ لاَ إلَه إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللهِ رَبّاً، وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً، وَبِالإِسْلامِ دِيناً، غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ» رواه مسلم

৮/১০৪৭। সা‘দ ইবনি আবী ওয়াক্কাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ ইরশাদ করিয়াছেন, “আযান শুনে যে ব্যক্তি এই দো‘আ পড়বে,

‘আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহদাহু লা শারীকা লাহ, অ আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু অরাসূলুহ, রাদ্বীতু বিল্লা-হি রাববাঁউ অ বিমুহাম্মাদির রাসূলাঁউ অ বিলইসলা-মি দ্বীনা।’

অর্থাৎ আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাহাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মদ সাঃআঃ তাহাঁর দাস ও প্রেরিত রসূল। আল্লাহকে প্রতিপালক বলে মেনে নিয়ে, মুহাম্মদ সাঃআঃকে নবীরূপে স্বীকার করে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে আমি সম্মত ও তুষ্ট হয়েছি।

সে ব্যক্তির [ছোট ছোট] গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হইবে।” [মুসলিম] [8]

9/1048 وَعَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «الدُّعَاءُ لاَ يُرَدُّ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإقَامَةِ». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال : [حديث حسن]

৯/১০৪৮। আনাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “আযান ও ইকামতের মধ্য সময়ে কৃত প্রার্থনা রদ করা হয় না।” [অর্থাৎ এ সময়ের দো‘আ কবুল হয়]। [আবূ দাউদ, তিরমিযী, হাসান] [9]


[1] মুসলিম ৩৮৭, ইবনু মাজাহ ৭২৫, আহমাদ ১৬৪১৯, ১৬৪৫৩

[2] সহীহুল বুখারী ৬০৯, ৩২৯৬, ৭৫৪৮, নাসায়ী ৬৪৪, ইবনু মাজাহ ৭২৩, আহমাদ ১০৬৪৮, ১০৯১২, ১১০০০, মুওয়াত্তা মালিক ১৫৩

[3] সহীহুল বুখারী ৬০৮, ১২২২, ১২৩১, ১২৩২, ৩২৮৫, মুসলিম ৩৮৯, তিরমিযী ৩৯৭, নাসায়ী ৬৭০, ১২৫৩, আবূ দাউদ ৫১৬, ইবনু মাজাহ ১২১৬, ১২১৭, আহমাদ ৭৬৩৭, ৭৭৪৪, ৭৭৬৩, ৮৯১৯, ৯৬১৫, ৯৮৯৩, ১০৩৯০, ১০৪৯৫, মুওয়াত্তা মালিক ১৫৪, ২২৪, দারেমী ১২০৪, ১৪৯৪

[4] মুসলিম ৩৮৪, তিরমিযী ৩৬১৪, নাসায়ী ৬৭৮, আবূ দাউদ ৫২৩, আহমাদ ৬৫৩২

[5] সহীহুল বুখারী ৬১১, মুসলিম ৩৮৩, তিরমিযী ২০৮, নাসায়ী ৬৭৩, আবূ দাউদ ৫২২, ইবনু মাজাহ ৭২০, আহমাদ ১০৬৩৭, ১১১১২, ১১৩৩৩, ১১৪৫০, মুওয়াত্তা মালিক ১৫০, দারেমী ১২০১

[6] সহীহুল বুখারী ৬১৪, ৪৭১৯, তিরমিযী ২১১, নাসায়ী ৬৮০, আবূ দাউদ ৫২৯, ইবনু মাজাহ ৭২২, আহমাদ ১৪৪০৩

[7] মুসলিম ৩৮৬, তিরমিযী ২১০, নাসায়ী ৬৭৯, আবূ দাউদ ৫২৫, ইবনু মাজাহ ৭২১, আহমাদ ১৫৬৮

[8] সহীহুল বুখারী ৫২৮, মুসলিম ৬৬৭, তিরমিযী ২৮৬৮, নাসায়ী ৪৬২, আহমাদ ৮৭০৫, ৯২২১, ৯৩৯৯, দারেমী ১১৮৩

[9] মুসলিম ৬৬৮, আহমাদ ১৩৮৬৩, ১৩৯৯৯, ১৪৪৩৯, দারেমী ১১৮২

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply