আদাম সন্তান এর যদিও সম্পদের দুটি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করিবে

আদাম সন্তান এর যদিও সম্পদের দুটি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করিবে

আদাম সন্তান এর যদিও সম্পদের দুটি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করিবে  >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৩৯. অধ্যায়: আদাম সন্তান এর যদিও সম্পদের দুটি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করিবে

২৩০৫

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আদাম সন্তান যদি দুটি মাঠ ভর্তি সম্পদের অধিকারী হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় মাঠ ভর্তি সম্পদ খুঁজে বেড়াবে। আদাম সন্তানের পেট-মাটি ছাড়া কোন কিছুই ভরাতে পারে না। যে ব্যক্তি তাওবাহ্ করে আল্লাহ তার তাওবাহ্ কবূল করেন। [ই.ফা ২২৮৩, ইসলামিক সেন্টার- ২২৮৪]

২৩০৬

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলিতে পারব না যে, তাহাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবু আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৮৪, ইসলামিক সেন্টার- ২২৮৫]

২৩০৭

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ যদি কোন আদম সন্তান একটি স্বর্ণের উপত্যকার মালিক হয়ে যায় তাহলে সে এরূপ আরেকটি উপত্যকা পেতে আকাঙ্ক্ষা করে। মাটি ছাড়া আর কিছুই তার পেট ভরাতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি তাওবাহ করে আল্লাহ্‌ তাআলা তার তাওবাহ কবূল করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৮৫, ইসলামিক সেন্টার-২২৮৬]

২৩০৮

ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ যদি কোন আদম সন্তানের পূর্ণ এক উদ্যান সম্পদ থাকে তাহলে সে অনুরূপ আরও সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না। যে ব্যাক্তি তওবাহ করে আল্লাহ্‌ তার তওবাহ কবুল করেন।

ইবনি আব্বাস [রাদি.] বলেন, এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি জানি না।

যুহায়রের বর্ণনায় আছে – এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি তা জানি না। এখানে তিনি ইবনি আব্বাসের নাম উল্লেখ করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৮৬, ইসলামিক সেন্টার- ২২৮৭]

২৩০৯

আবুল আসওয়াদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আবু মুসা আল আশআরী [রাদি.] একবার বাসরার ক্বারীদের [আলিমদের] ডেকে পাঠালেন। অতঃপর সেখানকার তিনশ ক্বারী তাহাঁর কাছে আসলেন এবং কুরআন পাঠ করিলেন। তিনি [তাদের উদ্দেশে] বলিলেন, আপনারা বাসরার মধ্যে উত্তম লোক এবং সেখানকার ক্বারী। সুতরাং আপনারা অনবরত কুরআন পাঠ করিতে থাকুন। অলসতায় দীর্ঘ সময় যেন কেটে না যায়। তাহলে আপনাদের অন্তর কঠিন হয়ে যেতে পারে যেমন আপনাদের পূর্ববর্তী একদল লোকের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা দীর্ঘ এবং কঠোর ভীতি প্রদর্শনের দিক থেকে সূরাহ বারাআতের সমতুল্য। পরে তা আমি ভুলে গেছি। তবে তার এতটুকু মনে রেখেছি – ““যদি কোন আদম সন্তান দুই উপত্যকা সম্পদের মালিক হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় আরও একটি উপত্যকা ভর্তি সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া আর কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না।” আমি আরও একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা মুসাব্বিহাত [গুণগানপূর্ণ] সূরাগুলো সমতুল্য। তাও আমি ভুলে গেছি, শুধু তা থেকে এ আয়াতটি মনে আছে –

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لاَ تَفْعَلُونَ

““হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা করো না” – [সুরা সফ ৬১ : ২]। আর যে কথা তোমরা শুধু মুখে আওড়াও অথচ করো না তা তোমরা তোমাদের ঘাড়ে সাক্ষী হিসাবে লিখে রাখা হয়। কিয়ামতের দিন তোমরাদেরকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হইবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২২৮৭, ইসলামিক সেন্টার-২২৮৮]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply