কোন মঞ্জিলে [বিশ্রাম নিতে] অবতরণ করলে এর দোআ

কোন মঞ্জিলে [বিশ্রাম নিতে] অবতরণ করলে এর দোআ

কোন মঞ্জিলে [বিশ্রাম নিতে] অবতরণ করলে এর দোআকোন মঞ্জিলে [বিশ্রাম নিতে] অবতরণ করলে এর দোআ

১. খাওলা বিনতে হাকীম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃকে বলিতে শুনেছি যে, ‘‘যে ব্যক্তি [সফরের] কোন মঞ্জিলে নেমে এই দো‘আ পড়বে,

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

‘আঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মাতি মিন শার্রি মা খালাক্ব।’ [অর্থাৎ আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের অসীলায় তাহাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি।] তাহলে সে মঞ্জিল থেকে অন্যত্র রওনা হওয়া পর্যন্ত কোন জিনিস তার কোন ক্ষতি করিতে পারবে না।

মুসলিম ২৭০৮, তিরমিযী ৩৪৩৭, ইবনু মাজাহ ৩৫৩৭, আহমাদ ২৬৫৭৯, ২৬৫৮৪, ২৬৭৬৫, দারেমী ২৬৮০

২. আবদুল্লাহ ইবনু উমার [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা] হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ যখন সফর করিতেন এবং সফরে রাত্রি হয়ে যেতো, তখন তিনি বলিতেনঃ

يَا أَرْضُ ربِّي وَربُّكِ اللهِ، أَعُوذُ بِاللهِ مِنْ شرِّكِ وشَرِّ ما فِيكِ، وشر ماخُلقَ فيكِ، وشَرِّ ما يدِبُّ عليكِ، وأَعوذ باللهِ مِنْ شَرِّ أَسدٍ وَأَسْودٍ، ومِنَ الحيَّةِ والعقربِ، وَمِنْ سَاكِنِ البلَدِ، ومِنْ والِدٍ وما وَلَد

ইয়া আরদু রাব্বী ও রাব্বুকিল্লাহ, আ‘উযু বিল্লাহি মিন শাররিকি ওয়া শাররি মা ফীকি, ওয়া শাররি মা খুলিক্বা ফীকি, ওয়া শাররি মা ইয়াদিববু আলাইকি, আ‘উযু বিল্লাহি মিন শাররি আসাদিন ওয়া আসওয়াদিন ওয়া মিনাল হাইয়্যাতি ওয়াল আক্বরাবি ওয়া মিন সাকিনিল বালাদি ওয়া মিন ওয়ালিদিও ওয়ামা ওয়ালাদ, হে মাটি! তোমার ও আমার প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ তা‘আলা। আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি। তোমার অনিষ্ট থেকে, তোমার ভিতরে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে তোমার ভিতরে যা সৃষ্টি করা হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে এবং যা কিছু তোমার উপরে বিচরণ করে তার অনিষ্ট থেকে। আর আমি আল্লাহর নিকট বাঘ ও কাল সাপ হতে এবং সর্ব প্রকারের সাপ, বিচ্ছু হতে আর শহরবাসীদের অনিষ্টকারিতা হতে এবং জম্মদানকারী ও জন্মলাভকারীর অনিষ্টকারিতা হতে আশ্রয় চাই]।

আমি [আলবানী] বলছিঃ হাদীসটির সনদে অজ্ঞতা রয়েছে যদিও হাদীসটিকে হাকিম ও যাহাবী সহীহ্ আখ্যা দিয়েছেন আর আসকালানী হাসান আখ্যা দিয়েছেন। দেখুন ‘‘য‘ঈফাহ্’’ [৪৮৩৭]। এর সনদটি দুর্বল হওয়ার কারণ হচ্ছে যুবায়ের ইবনুল ওয়ালীদ। কারণ তিনি মাজহূল [অপরিচিত]। হাফিয যাহাবীও ‘‘আলমীযান’’ গ্রন্থে তার মাজহূল হওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করিয়াছেন। আবূ দাউদ ২৬০৩ হাদীসটি এককভাবে শুধু আবূ দাউদে বর্ণিত হয়েছে।

By ইমাম নওয়াবী

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply